Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রঘুনাথপুরে ব্লকডাঙা সর্বজনীন পুজোর ঐতিহ্যই সাবেকিয়ানা

রঘুনাথপুর শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ব্লকডাঙা সর্বজনীনের পুজোর ঐতিহ্য সাবেকিয়ানা। এই এলাকায় দুর্গাপুজো হতো না

রঘুনাথপুরে ব্লকডাঙা সর্বজনীন পুজোর ঐতিহ্যই সাবেকিয়ানা
  • ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: রঘুনাথপুর শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ব্লকডাঙা সর্বজনীনের পুজোর ঐতিহ্য সাবেকিয়ানা। এই এলাকায় দুর্গাপুজো হতো না। শহরের বিভিন্ন জায়গায় পুজো দেখতে যেতে হতো। ফলে অনেকে সমস্যায় পড়তেন। ২০১৩ সালে এলাকার নরেশ চৌধুরী, স্বর্গীয় তারাশঙ্কর দেওঘরিয়া, আনন্দ রায়, মনোজ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো সদস্যদের উদ্যোগে দুর্গাপুজো শুরু হয়। প্রথমে প্যান্ডেল করে পুজো শুরু হয়। ২০১৪ সাল থেকে মায়ের মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এলাকার সকলের সহযোগিতায় ২০১৫ সালে মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই মন্দিরের পাশেই ২০২২ সালে শিব মন্দির তৈরি করা হয়। বর্তমানে দুর্গাপুজো কমিটির মাধ্যমে শিব পুজোতেও বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।

Advertisement

দুর্গাপুজো কমিটির সভাপতি নরেশ চৌধুরী বলেন, দুর্গাপুজোর বিশেষ আকর্ষণ হল ষষ্ঠী ও সপ্তমীর দিন স্থানীয় খুদে শিল্পীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অষ্টমীর দিন বাউল গানের আয়োজন করা হয়। দ্বাদশীর দিন প্রায় দু’ থেকে তিন হাজার মানুষকে অন্নপ্রসাদ খাওয়ানো হয়। এখানে থিম নয়, ডাকের সাজে দুর্গা প্রতিমার সাবেকি মূর্তি তৈরি হয়। কমিটির সম্পাদক সাগর চক্রবর্তী ও যুগ্ম সম্পাদক প্রণব দেওঘরিয়া বলেন, থিম না থাকলেও প্যান্ডেল থেকে লাইটের বিশেষ কাজ হয়। গতবছর পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের মধ্যে তারাশঙ্করবাবুর প্রয়াণে অনেকটা বিষাদের সুর নেমে এসেছিল। তবে এ বছর খুব ধুমধাম করেই পুজো হচ্ছে। বাজেটও বাড়ানো হয়েছে। পুজোর কয়েকটা দিন সকলে মিলেমিশে এক সঙ্গে মণ্ডপে সময় কেটে যায়। সহ-সভাপতি অমিত চক্রবর্তী, রমেশ বাউরি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা ছাড়াও বাইরের মানুষজন সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দেয়। বিজয়ার মাধ্যমে সকলকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ