Bartaman Logo
১৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সাফাই করতে হবে নদীর উৎস মুখ, ইছামতী সংস্কারে জোর রাজ্য সরকারের

দ্বিতীয়বারের জন্য ভোটে জিতে ইছামতী নদী সংস্কারের বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছেন মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। বুধবার জেলা ও মহকুমা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে নদীর উৎসমুখ সংস্কারে জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

সাফাই করতে হবে নদীর উৎস মুখ,  ইছামতী সংস্কারে জোর রাজ্য সরকারের
  • ২৮ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: দ্বিতীয়বারের জন্য ভোটে জিতে ইছামতী নদী সংস্কারের বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছেন মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। বুধবার জেলা ও মহকুমা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে নদীর উৎসমুখ সংস্কারে জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী জানান, নদী দখল করে গজিয়ে উঠেছে বিভিন্ন ইটভাটা। এর ফলে নদী স্রোত হারিয়েছে। গত ১৫ বছর ধরে নদী সংস্কারে কোনো কাজও হয়নি। সেকথা তুলে ধরে আধিকারিকদের নদী সংস্কারে উদ্যোগী হতে বলেন মন্ত্রী। এদিন মন্ত্রী জানান, জেলাশাসককে একটি প্রস্তাব দিয়েছেন আধিকারিকরা। আমার কাছে সেটি এলেই দপ্তরে পাঠিয়ে দেবো। নদী দখল করে থাকা অবৈধ নির্মাণ দ্রুত ভাঙা হবে বলে জানান তিনি।

Advertisement

ভোট প্রচারেই ইছামতী নদী সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনিয়া। ভোটে জিতে দ্বিতীয়বারের জন্য বিধায়ক হয়েছেন তিনি। জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়। এরপর প্রতিশ্রুতি রক্ষায় তৎপর হয়েছেন মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। বুধবার বনগাঁ মহকুমা শাসকের দপ্তরে মহকুমা শাসক ও আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে ইছামতী নদী সংস্কারের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। জেলা প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গেও ভার্চুয়ালি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। নদীয়ার মাজদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা, বনগাঁ, গাইঘাটা, স্বরূপনগরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত মৃতপ্রায় ইছামতী নদী সংস্কারের জন্য প্রশাসনের কর্তাদের বলেন অশোকবাবু।
মন্ত্রী এদিন বলেন, সামনেই বর্ষা। তার আগে দ্রুত নদীর কচুরিপানা পরিষ্কার করতে পদক্ষেপ করতে বলেছি প্রশাসনের কর্তাদের। বৈঠকে তিনি দাবি করেন, উৎসমুখ দখল হয়ে যাওয়ায় নদীতে জল নেই বললেই চলে। জোয়ার ভাটা খেলে না নদীতে। উৎসমুখ সংস্কার হলে নদীতে জলস্তর বৃদ্ধি পাবে। তখন বসিরহাটের দিক থেকে নোনা জল ঢুকে নদীতে থাকা কচুরিপানা নষ্ট করতে পারবে।
ইছামতী নদী সংস্কার বনগাঁবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। বনগাঁবাসী তাঁদের ঘরের ছেলেকে মন্ত্রী হিসেবে পেয়েছেন। তিনি গর্বের ইছামতী সংস্কারে উদ্যোগী হওয়ায় খুশি বাসিন্দারা।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ