Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মরশুম শুরু হতেই আলপনায় সাজছে মুকুটমণিপুরের রাস্তা

শীতের মরশুম শুরু হতেই বাঁকুড়ার রানি মুকুটমণিপুরকে সৌন্দর্যময় ও পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে রাস্তায় আলপনা আঁকা হচ্ছে

মরশুম শুরু হতেই আলপনায় সাজছে মুকুটমণিপুরের রাস্তা
  • ১২ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, খাতড়া: শীতের মরশুম শুরু হতেই বাঁকুড়ার রানি মুকুটমণিপুরকে সৌন্দর্যময় ও পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে রাস্তায় আলপনা আঁকা হচ্ছে। মুকুটমণিপুর উন্নয়ন পর্ষদের উদ্যোগে রাস্তা রাঙিয়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় শিল্পীদের হাতের ছোঁয়ায় কংসাবতী জলাধারের পাড় লাগোয়া রাস্তার উপর নানা রঙের আলপনা ও পথচিত্র ফুটে উঠছে। জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় ৩০০মিটারের বেশি রাস্তার উপর রং- বেরঙের আলপনা ও পথচিত্র আঁকা হচ্ছে।

Advertisement

উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের মন্ত্রী জোৎস্না মাণ্ডি বলেন, মুকুটমণিপুর পর্যটন কেন্দ্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খুব প্রিয় জায়গা। এই পর্যটন কেন্দ্রকে তিনি নিজে হাতে নতুন করে গড়ে তুলেছেন। এর আগেও পথচিত্রের মধ্যে দিয়ে এখানকার রাস্তা রাঙিয়ে তোলা হয়েছিল। সেইসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে এসে রাস্তায় আঁকা পথচিত্র দেখে প্রশংসা করেছিলেন। তাই আবার পথচিত্রের মধ্য দিয়ে পর্যটন কেন্দ্রকে নতুন সাজে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। জল, জঙ্গল ও পাহাড় ঘেরা বাঁকুড়ার রানি মুকুটমণিপুর সকল পর্যটকের কাছেই খুব প্রিয়। তবুও পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে উন্নয়ন পর্ষদের তহবিল থেকেই পথচিত্রের কাজ শুরু হয়েছে।
রাস্তা রাঙিয়ে তোলার কাজে হাত লাগানো স্থানীয় শিল্পী কুমারেশ দাস বলেন, এটা আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা। তাই রাস্তার উপর আদিবাসী সংস্কৃতির বিভিন্ন ছবি সহ হরিণ, ময়ূর, পাখি, ফুল, মাছ, নৌকা, পাহাড়, গাছ, পলাশফুল সবকিছুই পথচিত্রের মধ্য দিয়ে তুলে ধরা হচ্ছে। ১৫জন মিলে দিনরাত পরিশ্রম করে পথচিত্রের কাজ করে চলেছি। চলতি মাসের শেষ দিকেই কাজ শেষ হবে বলে জানান তিনি। কয়েক বছর আগে মুকুটমণিপুরের রাস্তায় নানা আলপনা ও পথচিত্র আঁকা হয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন থাকার পর সেই পথচিত্রের রং উঠে অস্পষ্ট হয়ে পড়েছিল। তাই আবার নতুন করে মুকুটমণিপুর উন্নয়ন পর্ষদের উদ্যোগেই আলপনা ও পথচিত্র এঁকে রঙিন ও সৌন্দর্যময় তোলা হচ্ছে। নৈহাটি থেকে মুকুটমণিপুরে প্রথমবার ঘুরতে আসা পর্যটক সুচিত্রা বিশ্বাস বলেন, এমনিতেই মুকুটমণিপুরের পরিবেশ খুব সুন্দর। জলাধার, পাহাড় ও জঙ্গল মিলে একেবারে মনমুগ্ধ করা পরিবেশ। তার উপর রাস্তায় আঁকা এই পথচিত্র সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বাঁকুড়া শহর সংলগ্ন এলাকা থেকে আসা নাসরিনা খাতুন বলেন, কয়েক আগে রাস্তার উপর পথচিত্র আঁকা হয়েছিল। মাঝে কিছুদিন সেভাবে দেখতে পাইনি। নতুন করে আবার আঁকা হচ্ছে দেখে খুব ভালো লাগছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ