‘সপ্তপদী’তে ডাক্তারি পড়ুয়ার চরিত্রে উত্তম কুমারের অভিনয়ে মুগ্ধ হননি এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া ভার। ফুটবল, টেনিস বা রঙ্গমঞ্চে তাক লাগানো দক্ষতা কৃষ্ণেন্দুর। আবার চিকিৎসা শাস্ত্রে অপরিসীম মেধা কিংবা রীনা ব্রাউনের সঙ্গে প্রেমের দৃশ্য আজও উপমা হয়ে বারবার ফিরে আসে আমাদের জীবনে। শুধু ‘সপ্তপদী’ কেন, হালফিলে বলিউডে ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’এর মুন্না ওরফে সঞ্জয় দত্ত দেখিয়েছেন ডাক্তারি পড়ুয়ার জীবনের নানান ওঠা পড়ার ঘটনা। তবু রিল লাইফের সঙ্গে রিয়েল দুনিয়ার ব্যবধান কোথাও রয়েই গিয়েছে। এবার সেই ফারাক মেটানোর উদ্যোগ নিলেন খোদ চিকিৎসকরা। তাঁদের পড়ুয়া জীবনের নানান বাস্তব কাহিনি নিয়ে তৈরি হয়েছে একটি পূর্ণ দৈর্ঘ্যের সিনেমা। ছবিটির প্রাণকেন্দ্র কলকাতা মেডিকেল কলেজ। কাঁচি, স্ক্যাল্প, টেথস্কোপ ধরা হাতে তুলে নিয়েছেন ক্যামেরা। প্রেসক্রিপশনে অভ্যস্ত আঙুলগুলি জোর দিয়েছে স্ক্রিপ্ট লেখায়। ছবির পরিচালক থেকে অভিনেতা সকলেই চিকিৎসক। ডাক্তার শুদ্ধসত্ত্ব চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায় সেই সিনেমা ‘প্রত্যাবর্তন’ মুক্তি পাচ্ছে আগামী ৩০ জানুয়ারি। আপাতদৃষ্টিতে এটি প্রেমের গল্প। তার মধ্যেই রয়েছে কলেজের প্রতি প্রাক্তন ছাত্রদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ। প্রতিষ্ঠানের জন্য তাঁদের মমত্ববোধ ধরা পড়বে এই ছবিতে। ছবির বেশিরভাগ শ্যুটিং হয়েছে কলকাতায়। সামান্য কিছু অংশ বিলেতে শ্যুটিং করা হয়েছে। অন্য ধরনের এই প্রয়াস নিয়ে স্বাভাবিক ভাবে নির্মাতাদের প্রত্যাশা অনেকটাই। সাধারণ দর্শক এই ছবির সঙ্গে কোথাও ফেলে আসা সময়ের মিল খুঁজে পাবেন। নির্মাতারা মনে করেন, জীবনের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠবে এই অন্য ধারার প্রয়াস ‘প্রত্যাবর্তন’।



