Bartaman Logo
২২ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

কথাই হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন শিল্পনীতি আনতে, স্পিকারকে আরজি বণিকসভায়

এরাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে শিল্পায়নের ভোল বদলাবে, এমনই আশা ছিল শিল্পমহলের। নতুন সরকার আসার পর শিল্পমহল বারবার তাদের উপর আস্থা রাখার কথা জনিয়েছে। সামান্য হলেও তার তাল কাটল কি?

কথাই হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন শিল্পনীতি  আনতে, স্পিকারকে আরজি বণিকসভায়
  • ২২ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এরাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে শিল্পায়নের ভোল বদলাবে, এমনই আশা ছিল শিল্পমহলের। নতুন সরকার আসার পর শিল্পমহল বারবার তাদের উপর আস্থা রাখার কথা জনিয়েছে। সামান্য হলেও তার তাল কাটল কি? রাজ্য সরকারের একাধিক মন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, তাঁরা নতুন শিল্পনীতি আনবেন। জমির ঊর্ধ্বসীমা আইন তুলে দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে। আনা হবে শিল্পের জন্য ইনসেন্টিভ পলিসি। মন্ত্রিমহল থেকেই বলা হয়েছে, ১৫ আগস্টের মধ্যেই আনা হচ্ছে শিল্পনীতি। কিন্তু সেই নীতি আসেনি এখনো। শুক্রবার বণিকসভার অনুষ্ঠানে এবার সেই প্রশ্নেরই মুখোমুখি হতে হল বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে। কেন এখনো টলবাহানা করছে সরকার, সেই প্রশ্নই শুনতে হল তাঁকে। এদিন ভারত চেম্বার অব কমার্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রথীন্দ্রবাবুর উদ্দেশে বলা হয়, নতুন সরকারের ১০০ দিন পেরিয়েছে। সরকার বলে আসছে, জমিনীতি আসবে। জমির ঊর্ধ্বসীমা আইন তুলে দেওয়া হবে। সরকার শিল্পনীতি আনার কথা বলেছে। বলা হয়েছে মিউটেশন ও কনভার্সানের কথাও। এটা হলে নিঃসন্দেহে বড়ো ব্যাপার। জমিনীতি নেই, দেশে এমন রাজ্য নেই। জমির ঊর্ধ্বসীমা আইনও তুলে দেওয়া হয়েছে সর্বত্র। অথচ এখানে আমরা ৫০ বছর পিছিয়ে আছি। আর কত অপেক্ষা করতে হবে? এরপরই স্পিকারের কাছে শিল্পমহলের আরজি, দ্রুত পদক্ষেপের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে আপনিই বলুন। 

Advertisement

জবাবে অবশ্য স্পিকার বলেন, সরকার এসেছে পাঁচ বছরের জন্য। তার পাঁচ শতাংশ সময়ই পেরোয়নি। শিল্পমহলকে তাঁর বার্তা, যত অধৈর্য হবেন, তত বেশি ঢিলেমি হবে। তাঁর কটাক্ষ,  ৫০ বছর যে কিছু হয়নি, তার জন্য তো আপনারাই দায়ী। ভোট দিয়ে আপনারাই নির্বাচিত করেছেন। বাইরে থেকে কেউ আসেনি। তাই একটু ধৈর্য ধরুন। একবছর পর আবার এই শিল্পসভায় এসে জেনে যাবেন পরিস্থিতি কী—আশ্বস্ত করেছেন স্পিকার। 
স্পিকারকে জানানো হয়, গ্রামাঞ্চলে ছাত্রীদের উপর যৌননিগ্রহ বাড়ছে।  আতঙ্কে স্কুলে আসতে চাইছে না তারা। এর সমাধান দাবি করা হয়। রথীন্দ্রবাবু বলেন, আইন করে সব সমস্যার সমাধান করা যায় না। মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি নষ্ট হচ্ছে বলেই সমস্যা বাড়ছে। তাঁর আক্ষেপ, পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাবেই এই সামাজিক ব্যাধি। আগে সাধারণ মানুষের বাড়িতে পুজোপাঠ হত। ধূপধুনো দেওয়া হত। সন্ধ্যাবেলা ভজন বা ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান হত। তাতে মানসিকতা হত অন্যরকম। এখন সেসব উধাও। তাই মূল্যবোধও কমছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ