Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

ক্রেডিট কার্ডের বিল মেটাতে হিমশিম, বকেয়ার পরিমাণ ৪৪ শতাংশ বেড়ে ৩৪ হাজার কোটি টাকা

কোনও কিছু কিনতেই হবে। এদিকে পকেটে টান। অগত্যা ভরসা ক্রেডিট কার্ড। ধার করে তো কেনা হল। কিন্তু কিস্তি শোধের সময় রোজগারের থেকে খরচের পাল্লা ভারি।

ক্রেডিট কার্ডের বিল মেটাতে হিমশিম, বকেয়ার পরিমাণ ৪৪ শতাংশ বেড়ে ৩৪ হাজার কোটি টাকা
  • ১ আগস্ট, ২০২৫ ১৬:০৮
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: কোনও কিছু কিনতেই হবে। এদিকে পকেটে টান। অগত্যা ভরসা ক্রেডিট কার্ড। ধার করে তো কেনা হল। কিন্তু কিস্তি শোধের সময় রোজগারের থেকে খরচের পাল্লা ভারি। কাজেই বকেয়া থেকে যাচ্ছে কিস্তি। এমন হলে যুক্ত হয় চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ। ফলে বোঝা আরও বাড়ে। এর হাত ধরেই  ঊর্ধ্বমুখী অনাদায়ের বহর। সিআরআইএফ হাইমার্কের তথ্য বলছে, ক্রেডিট কার্ড পেমেন্টে বকেয়া গত এক বছরে ৪৪ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। যা ৯১ থেকে ৩৬০ দিনের বেশি সময় ধরে বকেয়া পড়ে রয়েছে। কার্ডে নেওয়া ঋণে এই বকেয়ার পরিমাণ ২০২৫ সালের মার্চে বেড়ে হয়েছে প্রায়  ৩৪ হাজার কোটি টাকা। আগের বছর এই সময় পর্যন্ত বকেয়ার পরিমাণ ছিল ২৩ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা।  এই পরিসংখ্যান উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের মতে, সরকারের খাতায় কলমে মুদ্রাস্ফীতি নিম্নমুখী হলেও সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। জিনিসপত্র, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার খরচ বাড়ছে। তারসঙ্গে পাল্লা দিতে পারছে না রোজগার। এর ফলেই ক্রেডিট কার্ডে ঋণের কিস্তি শোধের মতো অর্থ সংস্থান করতে পারছেন না অনেকেই। সেজন্য সময় মতো ক্রেডিট কার্ডের বিল চোকাতে পারা যাচ্ছে না।  

Advertisement

৯১ থেকে ৩৬০ দিনের মধ্যে এই দীর্ঘ বকেয়া অনুৎপাদক সম্পদ (এনপিএ)-র পর্যায়ে পড়ে। সিআরআইএফ হাইমার্কের তথ্য বলছে, সবচেয়ে বেশি চাপ বেড়েছে ৯১ থেকে ১৮০ দিনের বকেয়ার ক্ষেত্রে। এই পর্যায়ে অনাদায়ী বকেয়া এক বছর আগে ২০ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৯ হাজার ৯৮৩.৬ কোটি টাকা। দু’বছর আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ