Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিরোধীরা সেভাবে নামেইনি ময়দানে, ফাঁকা মাঠে ছুটছেন তৃণমূলের রথীন

মধ্যমগ্রামে প্রার্থী ঘোষণার পর সংগঠন গুছিয়ে জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছেন তৃণমূল প্রার্থী রথীন ঘোষ। শনিবার সকালে পুরসভার ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে পদযাত্রা করে জনসংযোগ সারেন তিনি।

বিরোধীরা সেভাবে নামেইনি ময়দানে, ফাঁকা মাঠে ছুটছেন তৃণমূলের রথীন
  • ২৯ মার্চ, ২০২৬ ০৯:০৩
Prefer us on Google

শ্যামলেন্দু গোস্বামী, বারাসত: মধ্যমগ্রামে প্রার্থী ঘোষণার পর সংগঠন গুছিয়ে জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছেন তৃণমূল প্রার্থী রথীন ঘোষ। শনিবার সকালে পুরসভার ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে পদযাত্রা করে জনসংযোগ সারেন তিনি। শ্রীনগর ১ নম্বর গেট সংলগ্ন দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হওয়া হাতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের কাটআউট নিয়ে মহিলাদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে টানা দু’টি ওয়ার্ড চষে বেড়ান তিনি। বিরোধীরা এখনও ময়দানে নামতে না পারায় মসৃণ পিচে একা ‘খেলছেন’ রথীন। এখানে বাম-আইএসএফ জোটের তরফে প্রার্থী হয়েছেন প্রিয়াংকা বর্মন। তবে সদ্য প্রার্থী হওয়ায় তাঁর প্রচার এখনও গতি পায়নি। দেওয়াল লিখনও প্রায় হয়নি। আর বিজেপি এখনও প্রার্থী ঘোষণাই করতে পারেনি। ভোটের আরও এক মাস বাকি থাকতেই সকাল-বিকাল ভাগ করে ওয়ার্ড ও পঞ্চায়েত এলাকায় জনসংযোগের রূপরেখা নিয়ে এগচ্ছেন তৃণমূল প্রার্থী। রথীনের কথায়, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের নিরিখেই মানুষ আবার তৃণমূলের পক্ষে রায় দেবে। বিরোধী প্রার্থী নিয়ে আলাদা করে ভাবছি না।’

Advertisement

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে সীমানা পুনর্বিন্যাসের পর বারাসত থেকে আলাদা হয়ে তৈরি হয় মধ্যমগ্রাম বিধানসভা। এখানে শুরু থেকে বিভিন্ন ভোটে বিরোধীদের প্রার্থী বদল হলেও তৃণমূলের হয়ে বরাবর লড়েছেন রথীন ঘোষ। প্রতিবার তাঁর জয়ের ব্যবধান বেড়েছে। চতুর্থবার জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছেন তিনি। এদিকে জোটের সমীকরণে কেন্দ্রটি আইএসএফকে ছেড়েছে বামেরা। সেই সূত্রেই প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন প্রিয়াংকা বর্মন। রাজারহাট-নিউটাউনের বাসিন্দা প্রিয়াংকা আগে এসএফআই ও ডিওয়াইএফআইয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রিয়াংকার বক্তব্য, ‘রথীন ঘোষ অভিজ্ঞ নেতা, সম্মান করি। পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরণ, মহিলাদের সুরক্ষা ও কর্মসংস্থান—এই বিষয়গুলি সামনে রেখে লড়াইয়ে নামছি।’ বিজেপি নেতা তাপস মিত্রের কটাক্ষ, ‘মধ্যমগ্রামে প্রার্থী তালিকায় আমাদের চমক থাকবে। মানুষ যেভাবে উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রয়েছে, তাতে মানুষের ভরসা বিজেপি।’ এদিকে, উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে রথীন শিবির অবশ্য আত্মবিশ্বাসী। বাগবান্দা গ্রামীণ হাসপাতালকে ৩০টি শয্যায় উন্নীত করা, বাংলা মাধ্যমের স্কুল সংযুক্ত করে হাইস্কুল গড়ে তোলা, ডাম্পিং গ্রাউন্ডের আধুনিকীকরণ, নোয়াই খালের উপর সেতু নির্মাণ—এসবই তাঁদের প্রচারের মূল হাতিয়ার। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ