Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

সাক্ষরতার হার বৃদ্ধির কর্মসূচিতেও মিলছে না সাড়া, মেয়াদ বাড়াতে উদ্যোগী মোদি সরকার

২০২২ থেকে ২০২৭— সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মসূচি রূপায়ণের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ছিল এই পাঁচ বছর।

সাক্ষরতার হার বৃদ্ধির কর্মসূচিতেও মিলছে না সাড়া, মেয়াদ বাড়াতে উদ্যোগী মোদি সরকার
  • ২০ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ২০২২ থেকে ২০২৭— সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মসূচি রূপায়ণের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ছিল এই পাঁচ বছর। কিন্তু তাতেও তেমন সাড়া মিলছে না। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। এই পরিস্থিতিতে ওই কর্মসূচির মেয়াদ বৃদ্ধির করতেই উদ্যোগী মোদি সরকার। অন্তত সরকারি সূত্রে খবর এমনটাই। জানা যাচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির মেয়াদ আগামী লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত বাড়াতে চাইছে কেন্দ্র। বিষয়টিকে লোকসভা ভোটের নির্বাচনি ইস্যু হিসাবেও তুলে ধরতে গেরুয়া শিবির এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রককে এসংক্রান্ত কর্মসূচি নিয়ে ইতিমধ্যেই ঢালাও প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মসূচির পোশাকি নাম ‘উল্লাস - নব ভারত সাক্ষরতা কার্যক্রম’। ‘নিউ ইন্ডিয়া লিটারেসি প্রোগ্রাম’ (এনআইএলপি) হিসাবেও তা পরিচিত। ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষা নীতি মেনেই এই কর্মসূচি চালু করেছে কেন্দ্র সরকার। প্রথাগত বিদ্যালয় শিক্ষায় যারা বঞ্চিত, তেমন ১৫ বছর ও তার বেশি বয়সিদের এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাক্ষর করার উদ্যোগ ৱেওয়া হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ঠিকমতো সাড়া না মেলার কারণেই এর মেয়াদ বৃদ্ধির মতো পরিকল্পনা করেছে মোদি সরকার। যদিও শিক্ষামন্ত্রক সূত্রে দাবি, প্রতি বছরই এই কর্মসূচিতে নাম নথিভুক্তির সংখ্যা বাড়ছে। ২০২৩ সালে ছিল সাড়ে তিন কোটি। ২০২৪ সালে ৪ কোটি ৮৪ লক্ষ। ২০২৫ সালে ৬ কোটি ২৩ লক্ষ। অর্থাৎ, কর্মসূচিতে সাড়া না মেলার তত্ত্বের কোনো প্রমাণ নেই।
পাঁচ বছরের জন্য এই উল্লাস প্রকল্পে অনুমোদিত বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে কেন্দ্র দেবে ৭০০ কোটি টাকা। ৩৩৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা দিতে হবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলিকে। অনলাইন এবং অফলাইন দু’ভাবেই কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হয়। স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমেই সাক্ষরতার পাঠ পান সংশ্লিষ্ট নথিভুক্তরা।

সম্পর্কিত সংবাদ