নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের ‘রাত দখল’! এবারও রাত জাগছেন সিপিএমের কলতান দাশগুপ্তরা। তবে আর জি কর কাণ্ড আর এবারের ‘রাত দখল’-এর চরিত্রগত ফারাক আছে। আর জি কর আন্দোলনের সময় কলতান দাশগুপ্ত, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়রা লাল ঝান্ডা সরিয়ে রেখে রাতের রাস্তায় আন্দোলনে নেমেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল অভয়ার বিচার। তবে পরিবর্তনের পর এবারের রাত জাগা হচ্ছে লালঝান্ডা নিয়ে, পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে। ভোট বাক্সে কি লাভ হবে?
বুধবার রাতে শ্রমিক সংগঠন সিটুর ডাকে সোদপুর স্টেশনে হকারদের দোকান পাহারা দিয়েছেন গার্গী চট্টোপাধ্যায়, কলতান সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। একেবারে রিলে করে বাম নেতৃত্ব রাত পেরিয়ে সকাল পর্যন্ত সোদপুর স্টেশনে ছিলেন। উদ্দেশ্য একটাই, হকারদের দোকান তুলতে এলে তাঁরা প্রতিরোধ গড়বেন। সিপিএমের দাবি, এভাবেই তাঁরা সোদপুর স্টেশনের হকার উচ্ছেদ রুখে দিয়েছেন। আবার, একই চিত্র দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে। সিপিএম নেতৃত্বের বক্তব্য, শুক্রবার হকার উচ্ছেদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পরও রেলের তরফে সাড়া মেলেনি। কাজেই বাম নেতৃত্ব বৃহস্পতিবার রাত থেকে সেই স্টেশনে নজরদারি চালাবেন।
একবার ‘রাত দখল’ করে ভোট বাক্সে খুব একটা লাভ হয়নি। পানিহাটিতে কলতান দাশগুপ্ত, উত্তরপাড়ায় মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, দমদমে ময়ূখ বিশ্বাস কিংবা দমদম উত্তরে দীপ্সিতারা সেই তৃতীয় স্থানেই থেকে গিয়েছেন। কলতান বলছেন, ‘আমরা ভোট বাড়ানোর জন্য রাত দখল করতে নামিনি। অভয়ার বিচারের জন্য পথে নেমেছিলাম। সেই বিচার এখনও পাওয়া যায়নি। এবার আমাদের দাবি, পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ করা যাবে না। আমরা সেই দাবিতে স্টেশনে আছি। সোদপুর স্টেশনে হকার উচ্ছেদ তো আটকাতে পেরেছি।’ সোদপুর স্টেশনে কলতান-গার্গীরা।