নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়া ম্যাচ থেকে মূল্যবান এক পয়েন্ট পেয়েছে কেকেআর। অন্যদিকে, রবিবার মুম্বইয়ের কাছে লখনউ হারায় রাহানেরা কিছুটা অক্সিজেন পেয়ে গেলেন। এমন আবহে মঙ্গলবার দিল্লি ক্যাপিটালসের মুখোমুখি হচ্ছে শাহরুখ খানের দল। তিন ম্যাচ পর জয়ে ফেরার সংকল্প নিয়ে দিল্লি পৌঁছল নাইট ব্রিগেড।
বাকি পাঁচটা ম্যাচের সবক’টিতে জিতলে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা শেষ করবে ১৭ পয়েন্টে। সেক্ষেত্রে প্লে-অফের টিকিট কার্যত নিশ্চিত হয়ে যাবে। একটিতে হারলেও শেষ চারের লড়াইয়ে থাকার সুযোগ থাকবে। তবে তখন তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের উপর। সেই অঙ্কে যেতে চান না কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত। নাইট শিবিরের খবর, ম্যাচ ধরে ধরে এগতে চাইছেন নারিনরা। সেক্ষেত্রে চাপ কম থাকবে, মেলে ধরা যাবে ভালো পারফরম্যান্স।
শনিবার ইডেনে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে পাওয়ার প্লে’তে প্রতিপক্ষের কোনও উইকেট ফেলতে পারেনি কেকেআর। সেই সুযোগ নিয়ে প্রভসিমরন সিং ও প্রিয়াংশ আর্য ১২০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছিলেন। নারিনের মতো বর্ষীয়ান স্পিনারকেও সুইচ হিটে বিশাল বাউন্ডারি হাঁকান প্রভসিমরন। ডেথ ওভারে রাসেল, বৈভবরা পরিস্থিতি সামাল না দিলে পাঞ্জাবের স্কোর আড়াইশোর কাছে পৌঁছে যেতে পারত। তাই দিল্লি ম্যাচের আগে বোলিংয়ের সমস্যা খুঁজে সমাধানের পথ বের করতে হবে। কারণ, দিল্লির ব্যাটিং বেশ শক্তিশালী। তবে শুরুতে উইকেট তুলে নিতে পারলে অক্ষর প্যাটেলদের চাপে ফেলা দেওয়া সম্ভব। সেটা বেশ কিছু ম্যাচে স্পষ্ট।
পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে কেকেআর দলে দু’টি পরিবর্তন হয়েছিল। মঈনের জায়গায় খেলানো হয় রভম্যান পাওয়ালকে। আর চেতন সাকারিয়াকে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল রামনদীপের জায়গায়। তবে সাকারিয়া বল হাতে ব্যর্থ। তাই দিল্লির বিরুদ্ধে তাঁর খেলার সম্ভাবনা কম। তাই কোটলার পিচে স্পিন ধরলে মঈনকে ফেরানো হতে পারে।
এদিকে, বেঙ্কটেশ আয়ারকে নিয়ে অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে কেকেআর সমর্থকদের মধ্যে। ২৩.৭৫ কোটি টাকার কোনও প্রতিদানই দিতে পারছেন না তিনি। তবে ভারতের প্রাক্তন কোচ অনিল কুম্বলের মতে, ‘বেঙ্কটেশকে আরও উপরের দিকে নামানো উচিত। প্রয়োজনে নারিনের সঙ্গে ওকে ওপেন করানো যেতে পারে।’