নেটফ্লিক্স-এ সদ্য মুক্তি পেয়েছে তৃপ্তি দিমরি অভিনীত ‘মা বহেন’। কেমন সেই অভিজ্ঞতা? নায়িকা শেয়ার করলেন নানা কথা।
নেটফ্লিক্স-এ সদ্য মুক্তি পেয়েছে তৃপ্তি দিমরি অভিনীত ‘মা বহেন’। কেমন সেই অভিজ্ঞতা? নায়িকা শেয়ার করলেন নানা কথা।
• মা বহেন’ ছবিটা আপনার কেরিয়ারে কতটা স্পেশাল?
•• আমার কেরিয়ারের অন্যতম স্পেশাল প্রজেক্ট । সুরেশ (ত্রিবেণী, পরিচালক) স্যার যে আমাকে এই চরিত্রের জন্য উপযুক্ত মনে করেছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সবচেয়ে বড়ো কথা, এই ছবিকে কোনো একটি ঘরানায় বেঁধে ফেলা যায় না।
• মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে ‘ভুলভুলাইয়া ৩’-এ অভিনয় করেছিলেন। এবার এই ছবিতে ওঁর মেয়ের চরিত্রে। নার্ভাস ছিলেন?
•• শুরুতে একটু নার্ভাস ছিলাম। কারণ উনি সুপারস্টার। জীবনে কখনও ভাবিনি যে ওঁর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাব। যখন ‘ভুলভুলাইয়া ৩’-তে সেই সুযোগ এল, আমি তো আনন্দে আত্মহারা। আর ‘মা বহেন’ ছবিতে কাজ করে মাধুরী ম্যামের অনেক কাছে আসতে পেরেছি।
• ‘টাইপকাস্ট’ হয়েছেন কখনও?
•• একসময় এমনটা হতো। তবে এখন অভিনেতারা সচেতনভাবে বিষয়টা এড়িয়ে চলছেন। শিল্পীরা ভীষণ সচেতনভাবে বিভিন্ন ঘরানার প্রজেক্টে কাজ করছেন। সৌভাগ্যবশত আজ ওটিটি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। সেখানে নিজেকে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যায়। আমার মনে হয়, এই পরিবর্তনটা সত্যিই দরকার ছিল।
• ‘মা বহেন’ ছবিতে কি কোনো বার্তা রয়েছে?
•• আমরা নারীদের খুব সহজেই বিচার করি। ছোটোবেলায় মায়ের দায়িত্ব ও কর্তব্য দেখতাম, কিন্তু তাঁর সংগ্রাম বা মানবিক দিকটা বুঝতাম না। বড়ো হওয়ার পর তাঁর জীবনের গল্প শুনে উপলব্ধি করেছি, নারীদের অনুভূতি ও লড়াইকে আমরা অনেক সময় গুরুত্বই দিই না। আমাদের পাড়ায় দু’জন অবিবাহিত ও আধুনিক চিন্তাধারার মহিলাকে সমাজ নানা অপবাদ দিতো। সেই স্মৃতি আজও আমার মনে গেঁথে রয়েছে। ‘মা বহেন’ ছবির গল্প শোনার পর সেই দুই মহিলার কথাই মনে পড়ে গিয়েছিল। কোনো কারণ ছাড়াই যাঁদের সমাজ বিচার করেছে, তাঁদের প্রতি এক ধরনের ক্ষমাপ্রার্থনা করছি এই ছবির মাধ্যমে।
দেবারতি ভট্টাচার্য
• মুম্বই