Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দোলে ভেষজ আবির দিশা দেখাচ্ছে রানি, ঝিল্লি, স্বরূপা ও অন্বেষাদের

সামনেই রঙের উৎসব দোল। এই উৎসবে ভেষজ আবির তৈরি করে এখন অনেকটাই সাবলম্বী উলুবেড়িয়া আশা ভবন সেন্টারের রানি, ঝিল্লি, স্বরূপা, অন্বেষারা।

দোলে ভেষজ আবির দিশা দেখাচ্ছে রানি, ঝিল্লি, স্বরূপা ও অন্বেষাদের
  • ১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৩
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: সামনেই রঙের উৎসব দোল। এই উৎসবে ভেষজ আবির তৈরি করে এখন অনেকটাই সাবলম্বী উলুবেড়িয়া আশা ভবন সেন্টারের রানি, ঝিল্লি, স্বরূপা, অন্বেষারা। একটা সময় তাঁরা জানতেন না যে, এভাবে নিজেদের জীবনধারা বদলানো যায়। কারণ তাঁরা প্রত্যেকেই হয় বিশেষভাবে সক্ষম, না হয় মানসিক প্রতিবন্ধকতাযুক্ত। আশা ভবন সেন্টারে থাকাকালীন তাঁরা বুঝতে পেরেছিলেন সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচতে হলে নিজেদের স্বাবলম্বী হতে হবে। সেইমতো সেন্টারের তত্ত্বাবধানে ভেষজ আবির তৈরির কাজ শিখেছিলেন তাঁরা। তারপর থেকে গত ৮ বছর ধরে আশা ভবন সেন্টারে তাঁরা ভেষজ আবির তৈরি করছেন। তাঁদের তৈরি বিভিন্ন রঙের আবির বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে, প্রশাসনিক ভবনে এবং খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে। তাঁদের হাতে টাকাও আসছে। আশা ভবন সেন্টার সূত্রে খবর, মূলত গোলাপ, পলাশ, অপরাজিতা, গাঁদা ইত্যাদি ফুল থেকে এইসব ভেষজ আবির তৈরি হয়। প্রথমে কোলাঘাটের ফুলবাজার থেকে ফুল কিনে এনে পাপড়িগুলিকে আলাদা করা হয়। তার সঙ্গে ট্যালকম পাউডার, অ্যারারুট মিশিয়ে মিক্সিতে দিয়ে ভেষজ আবির তৈরি করা হয়। প্রতি বছর ৫০-৬০ কেজি আবির তৈরি করেন তাঁরা। গোলাপ, পলাশ এবং অপরাজিতা ফুলের আবির কেজি প্রতি ৬০০ টাকা এবং হলুদ ও সবুজ রঙের আবির কেজি প্রতি ৪০০ টাকা দরে বাজারে বিক্রি হয়।

Advertisement

আশা ভবন সেন্টারের সুপার অরুনিমা জাসু বলেন, হোমে বিশেষভাবে সক্ষম কিশোরীদের আমরা এটা বোঝাতে পেরেছিলাম যে, সকলের মাথা উঁচু করে বাঁচার অধিকার আছে। সেইমতো ওদের ভেষজ আবির তৈরির প্রশিক্ষণ দিয়েছিলাম। প্রশিক্ষণ শেষে এখন ওরা আবির তৈরি করছে। সেই আবির বাজারে বিক্রি করে ওরা সাবলম্বী হয়েছে। অন্যদিকে তাঁদের বানানো আবির বাজারে বিক্রি হওয়ায় খুশি রানি, অন্বেষা, স্বরূপারা। তাঁরা আকার ইঙ্গিতে জানান, আমরাও পারি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ