


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফেডারেশন আছে ফেডারেশনেই! আগামী ৩১ মে ফুটবল মরশুম শেষ। আগামী বছর কমার্শিয়াল পার্টনারের দায়িত্ব কার হাতে থাকবে? তার উত্তর এখনও অজানা। শনিবার সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার স্পেশাল জেনারেল মিটিংয়েও সমাধান মেলেনি। কমার্শিয়াল পার্টনার বাছাইয়ের প্রশ্নে বল পাঠানো হয়েছে কার্যকরী সমিতির কোর্টে। তারা সবকিছু খতিয়ে দেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাবে জেনারেল বডির কাছে। অর্থাৎ এই জট সহজে কাটার সম্ভাবনা কম। উল্লেখ্য, কমার্শিয়াল পার্টনার বাছাইয়ের প্রশ্নে জিনিয়াস স্পোর্টসের সঙ্গে অনেকদূর কথা এগিয়েছিল। আগামী ২০ বছরে দু’হাজার কোটি টাকার বেশি লগ্নি করতে রাজি তারা। কিন্তু ক্লাব জোট মোটেও আগ্রহী নয়। বরং নিত্যনতুন দাবি জানিয়ে ফেডারেশনের উপর চাপ বাড়াচ্ছে তারা। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এমন চললে বিরক্ত হয়ে জিনিয়াসও আগ্রহ হারাবে। পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়ানীতি মেনেই এবার বদল আসতে চলেছে ফেডারেশনের সংবিধানে। ফলে সংস্থার নির্বাচনের ক্ষেত্রেও টুইস্ট দেখা যেতে পারে। এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের প্রাক্তন সভাপতি প্রফুল প্যাটেল। শোনা যাচ্ছে তাঁর উদ্যোগেই ভারতে বিশ্বকাপ দেখার বিষয়ে এগিয়ে আসতে পারে জিও হটস্টার।
এদিকে, জাতীয় দল নিয়েও বেশ চাপে নয়াদিল্লির ফুটবল হাউস। আমন্ত্রণীমূলক ইউনিটি কাপ খেলতে ইংল্যান্ড রওনা হচ্ছে খালিদ ব্রিগেড। কিন্তু শিবির থেকে লিস্টন, মনবীরসহ সাত ফুটবলারকে ফিরিয়ে নিল মোহন বাগান। কেন এমন সিদ্ধান্ত? আসলে ইউনিটি কাপ ফিফা উইন্ডোয় অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। ফলে কোনো ফুটবলার চোট পেলে চিকিৎসার দায়িত্ব নেবেন কে তা জানতে চেয়ে ফেডারেশনকে ই-মেল করেছিল মোহন বাগান। এখনও উত্তর না মেলায় কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ সবুজ-মেরুন টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে ইস্ট বেঙ্গলের জিকসন ও এডমুন্ড শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। চোটের কারণে নেই আনোয়ার।