রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে সদ্য। সেই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে নানা কথা শেয়ার করলেন অভিনেতা সানি দেওল।
রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে সদ্য। সেই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে নানা কথা শেয়ার করলেন অভিনেতা সানি দেওল।
• ছবিটি করতে রাজি হলেন কেন?
•• আমি পাঞ্জাবি পরিবারের ছেলে। ছোটোবেলা থেকেই বড়োদের কাছে দেশভাগের গল্প শুনে বড়ো হয়েছি। তাই এই গল্প আর চরিত্র আমার খুব পরিচিত লেগেছিল।
• শুনেছি ধর্মেন্দ্র ছবিটি দেখেছিলেন। ওঁর প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?
•• বাবার ছবিটি ভালো লেগেছিল। প্রথমে যখন গল্পটি শুনেছিলেন, তখনই ওঁর ভালো লেগেছিল। ছবিটি মুক্তি পেতে অনেকটা সময় লেগে গেল।
• ছেলে করণের অভিনয় প্রশংসিত। বাবা হিসাবে কেমন অনুভূতি?
•• গর্ববোধ করছি। সত্যিই দারুণ লাগছে। কারণ, সকলেই জানেন, করণের আগের দু’টি ছবি ভালো চলেনি। তাই একজন তরুণ অভিনেতা হিসাবে এবার যে ভালোবাসা আর প্রশংসা পাচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে ওর জন্য অনুপ্রেরণার।
• বাবা, পরিচালক, এবার একজন সহঅভিনেতা হিসাবে করণ সম্পর্কে কি বলতে চান?
•• আমার মনে হয়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ও অনেক উন্নতি করেছে। আরও পরিণত হয়েছে।
• দীর্ঘ সময় পর আপনি আর প্রীতি জিন্টা একসঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ করলেন। এতদিন অপেক্ষা করতে হল কেন?
•• আসলে আমরা দু’জনেই একসঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় ছিলাম। সুযোগ আসতেই ছবিটি করে ফেললাম।
• ছবির মাধ্যমে আজকের প্রজন্মের কাছে কি বার্তা পৌঁছে দিতে চান?
•• আমি সবসময় পারিবারিক ও আবেগের গল্পের ছবিতে কাজ করেছি, ‘বাটওয়ারা’ও তেমনই এক ছবি। অভিনয় জীবনের শুরুতে বুঝতেই পারিনি, পর্দার একটি চরিত্রও দর্শকদের জীবনে কতটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।
• নয়ের দশকের অভিনেতারা এখনও বক্স অফিসে দাপট দেখাচ্ছেন। এর রহস্য কী বলে মনে করেন?
•• এই প্রশ্নের উত্তর আসলে দর্শকরাই ভালো দিতে পারবেন। আমিও জানতে চাই, এমন কী রয়েছে যা আজও আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমার মনে হয়, আমরা যে ধরনের কাজ করেছি, যে বিষয়ভিত্তিক ছবি করেছি, সেটাই এর কারণ। আগে প্রযোজক ও নির্মাতারা প্রবল আবেগ আর ভালোবাসা দিয়ে ছবি তৈরি করতেন। অবশ্যই ব্যবসার বিষয়টিও ছিল, সময়ের সঙ্গে সেটি আরও বেড়েছে। কিন্তু সেই আবেগ, সেই একাগ্রতা, এসব কোথাও যেন হারিয়ে গেছে। তবে সময় বদলাচ্ছে, আর আমি আশা করি, এই পরিবর্তনের মধ্যে থেকেই আবার নতুন ও ভালো কিছু বেরিয়ে আসবে।
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই