নয়াদিল্লি, ১২ সেপ্টেম্বর: তৃণমূল কংগ্রেসের রাশ ও ‘ঘাসফুল’ প্রতীক কার হাতে থাকবে? এনিয়ে গত তিন মাস থেকে দড়ি টানাটানি চলছে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত তৃণমূলের মধ্যে। এই বিতর্কের সমাধানে আজ দিল্লিতে দু’শিবিরকেই ডেকে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠক শেষে রীতিমতো আত্মবিশ্বাসী দেখালো ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
এদিন আরো একবার নিজেদের ‘প্রকৃত তৃণমূল’ বলে দাবি করেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা। সাংবাদিকদের ঋতব্রত বলেন, ‘তৃণমূল কারো বাপের সম্পত্তি নয়। এটি পরিবার কেন্দ্রিক পার্টি নয়। এটা সাধারণ কর্মীদের দল। ফলে একজন বা দুজনের কথা মতো গোটা দল চলতে পারে না।’
ঘাসফুল প্রতীক কি তাঁরা পাবেন? এই প্রশ্নের জবাবে ঋতব্রতর সাবধানী জবাব, ‘এই বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা তো জ্যোতিষী নই। তবে কমিশনের সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি জমা দেওয়া হয়েছে। আরো কিছু নথি জমা দেবো। কাগজ কথা বলবে।’ এর রেশ ধরে তাঁর আরও দাবি, ‘পাহাড় থেকে সাগর, সংগঠনের সবাই আমাদের সঙ্গে আছেন।’
কমিশনের ডাকে এদিন নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই দিল্লির নির্বাচন সদনে পৌঁছে গিয়েছিলেন ঋতব্রত তৃণমূলের একঝাঁক নেতা। তবে মাত্র পাঁচজনকে কমিশনের পূর্ণ বেঞ্চের মুখোমুখি হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গে দু’টি বিধানসভা আসনের (নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর) উপনির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষদিন। তাই তার আগেই কমিশন সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আশাবাদী ঋতব্রত তৃণমূল শিবির।