Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬

বিবাহিত কন্যাকে ‘পরিবার’ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়, বলল সুপ্রিম কোর্ট

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বিবাহিত কন্যাকে পরিবার থেকে বাদ দেওয়া অযৌক্তিক। লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই রায়। বিস্তারিত পড়ুন।

বিবাহিত কন্যাকে ‘পরিবার’ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়, বলল সুপ্রিম কোর্ট
  • ৩ জুন, ২০২৬ ০৪:০০

নয়াদিল্লি: বাবার ‘পরিবার’-এর সদস্য হিসাবে বিবাহিত কন্যাকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক, স্বেচ্ছাচারী ও সাংবিধানিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। মঙ্গলবার এলাহাবাদ হাইকোর্টের একটি রায়কে খারিজ করে এমনই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পিএস নরসিমহা ও বিচারপতি অলোক আরাধের বেঞ্চের। এলাহাবাদ হাইকোর্টের ওই রায়ে বলা হয়েছিল, সহানুভূতি নিয়োগের (কমপ্যাশনেট অ্যাপয়েন্টমেন্ট) ক্ষেত্রে বিবাহিত মেয়েরা ‘পরিবার’-এর সংজ্ঞার আওতায় পড়ে না। জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে এক সরকারি আদেশে সহানুভূতি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিবাহিত মহিলাদের ‘পরিবার’ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেন এক প্রয়াত রেশন ডিলারের মেয়ে। এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় বিপক্ষে গেলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। এদিন শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ভরশীল হিসেবে বিবাহিত কন্যাকে বাদ দেওয়া যায় না। কারণ, মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের জন্যই ওই কোটা চালু করা হয়েছে।

Advertisement

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পিএস নরসিমহা ও বিচারপতি অলোক আরাধের বেঞ্চ আরও বলেছে, ‘বিবাহিত হওয়ার কারণে কোনো মেয়ে তাঁর বাবার উপর নির্ভরশীল নয়, এমন মনে করার কোনো ভিত্তি নেই। বহু ক্ষেত্রেই বিবাহিত মেয়েরা বাপের বাড়িতে থাকে বা মা-বাবার উপর নির্ভরশীল থাকে। কোনো মানুষ বিবাহিত কিনা, তার উপর নির্ভরশীলতা নির্ভর করে না।’ শীর্ষ আদালতের মন্তব্য, ছেলে বিয়ের পরও পরিবারের সদস্য থাকে। অন্যদিকে মেয়েরা বাপের বাড়ির সদস্য হিসাবে গণ্য হয় না। এই ভাবনা লিঙ্গবৈষম্যের ধারণাকেই বজায় রাখে, যা আদালত নির্মূল করতে চায়।

সম্পর্কিত সংবাদ