ওয়াশিংটন, ১৫ সেপ্টেম্বর: সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে তুমুল বচসা, তারপরেই মালিকের মুণ্ডচ্ছেদ। কয়েকদিন আগে ডালাসে এক ছোট হোটেলের মালিক চন্দ্রমৌলি নাগামাল্লিয়াহকে (৫০) খুন করে তাঁরই কর্মচারী ইয়োর্দাস কোবোস মার্তিনেজ (৩৭)। গত বৃহস্পতিবার চন্দ্রমৌলির সঙ্গে আচমকাই বচসায় জড়িয়ে পড়ে অভিযুক্ত। তারপরেই পার্কিং লটে নৃশংসভাবে খুন করে নাগামাল্লিয়াহকে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে সে কিউবার বাসিন্দা। আর অভিবাসীর এই কাণ্ডতে ক্ষুব্ধ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চন্দ্রমৌলিকে চেনেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর সঙ্গে যেটা ঘটেছে সেটা অন্যায়ের বলেই মত মার্কিন প্রেসিডেন্টের। আর সবটাই হয়েছে অভিবাসীদের জন্য।
সেই বিষয়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘চন্দ্রমৌলির খুনের খবরটা আমি শুনেছি। ডালাসে তিনি এক জন সম্মানীয় ব্যক্তি ছিলেন। স্ত্রী এবং সন্তানের সামনে তাঁর মাথা কেটে নেওয়া হয়েছে। কাজটা করেছেন এক অবৈধ অভিবাসী, যিনি কিউবা থেকে এখানে এসেছিল। তার এখানে ঢুকতে পারার কথা ছিল না। এর আগেও এই লোকটি শিশুনিগ্রহ, গাড়ি চুরির মতো অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। জো বাইডেনের অপদার্থ সরকার তাকে আটকে রাখতে পারেনি। কিউবাও একে চায় না।’ সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে নরম হওয়ার দিন এখন শেষ, নিশ্চিন্তে থাকুন। আমার প্রশাসনের আধিকারিকরা ভালো কাজ করছেন। আমেরিকাকে আবার আমরা নিরাপদ, সুরক্ষিত করে তুলব। এই অপরাধী আমাদের হেফাজতে রয়েছে। খুনের অভিযোগে তাঁর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।’
চন্দ্রমৌলি নাগামাল্লিয়াহ আদপে কর্ণাটকের বাসিন্দা। স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে আমেরিকার ডালাসে দীর্ঘ বছর ধরেই থাকতেন। সেখানেই একটি ছোট হোটেল চালাতেন।