Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সিংহভাগ বাস তুলে নিয়েছে কমিশন, নিত্যযাত্রীদের কপালে শুধুই দুর্ভোগ!

রাস্তা থেকে উধাও বাস! অন্যান্য গণপরিবহণও কার্যত অমিল। যানবাহন সব গেল কোথায়? মঙ্গলবার দুপুরে ময়দান চত্বরে গিয়ে এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া দেল! সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে অনেক বাস।

সিংহভাগ বাস তুলে নিয়েছে কমিশন, নিত্যযাত্রীদের কপালে শুধুই দুর্ভোগ!
  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাস্তা থেকে উধাও বাস! অন্যান্য গণপরিবহণও কার্যত অমিল। যানবাহন সব গেল কোথায়? মঙ্গলবার দুপুরে ময়দান চত্বরে গিয়ে এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া দেল! সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে অনেক বাস। বাসের ভিতরে চালক-খালাসিদের কেউ ঘুমাচ্ছেন। কেউ ময়দানে গাছের ছায়ায় বসে তাস পেটাচ্ছেন বা বিশ্রাম নিচ্ছেন। কথায় কথায় সেই পরিবহণ শ্রমিকরা জানালেন, ভোটের জন্য রুটের প্রায় সব বাস তুলে নিয়েছে। এদিন সকালেই প্রচুর বাস বাঁকুড়া-বীরভূমে চলে গিয়েছে। তাঁরা এখন অপেক্ষা করছেন। ডাক পড়লেই যেতে হবে। 
সল্টলেক হোক বা বাইপাস, শ্যামবাজার হোক বা ধর্মতলা, রাতের দিকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রধান ভরসা বাস। কারণ, তখন মেট্রো থাকে না। নিত্যযাত্রীরা বলছেন, ‘এখন থেকে তো আর বাস পাওয়াই যাবে না। প্রতিদিন অ্যাপ ক্যাব ভাড়া করে বাড়ি ফেরাও সম্ভব নয়। আবার অফিস থেকে বেরিয়ে মেট্রো ধরাও অসম্ভব। কাজেই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ ৩৭ নম্বর অর্থাত্ ঢাকুরিয়া-হাওড়া রুটের এক পরিবহণ শ্রমিকের কথায়, ‘আমাদের রুটে ৪৮টি বাস চলে। প্রায় সব বাস তুলে নিয়েছে।’ একই পরিস্থিতি ৭২ নম্বর রুটের। দাসনগর-পার্ক সার্কাস রুটে আগামী কয়েকদিন মাত্র ৯টি বাস চলবে বলে জানালেন তাঁরা। এর পাশাপাশি ১২সি/১, ৪৭, ৪৭বি, ৪৫, ২০৫ রুটের সারি সারি বাস ময়দানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল। ৪৫ নম্বর রুটের বাসের এক কর্মী বলছিলেন, ‘কতগুলো বাস তুলেছে, সঠিক সংখ্যা বলা মুশকিল। তবে ৮০ শতাংশ বাস নেই। ফলত, ভোটপর্ব না মেটা পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে বাসের আকাল চলবে।’ 
জয়েন্ট কাউন্সিল অব বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলছিলেন, ‘মোটামুটি এক মাস আগে থেকে বাস নেওয়া শুরু হয়েছে। মূলত পুলিশ ও ভোটকর্মীদের জন্য এই বাসগুলি নেয়। মঙ্গলবার বিকাল থেকে প্রথম দফার নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন জেলায় বাস যাওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রতিটি রুটের ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ বাস তুলে নেওয়া হয়েছে।’ কতদিন এই অবস্থা চলবে? তপনবাবু বলছেন, ‘মোটামুটি ৬ মে পর্যন্ত ঘরে রাখুন। মানুষকে দুর্ভোগে পড়তেই হবে।’

Advertisement

 

সম্পর্কিত সংবাদ