বেজিং, ৪ সেপ্টেম্বর: চীনের তিয়ানজিনে এসসিও সামিটে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যোগদান। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের সঙ্গে মোদির একান্তে কথা, গোটা বিশ্ব দেখেছে। ভাইরাল হয়েছে সেই ছবি। তারপর থেকেই পশ্চিমি দেশগুলির তরফে নানান প্রতিক্রিয়া আসছে। ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক ধার্যের কারণ জানিয়েছেন ট্রাম্প। রাশিয়ার থেকে জ্বালানি তেল কেনার জন্যই নয়াদিল্লির উপর মোটা অঙ্কের শুল্ক ধার্য করেছে ওয়াশিংটন। ভারত, মস্কোর থেকে জ্বালানি তেল কেনা বন্ধ না করলে দ্বিতীয় দফায় ফের আরও শুল্ক চাপতে পারে, এমনও হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। বুধবারও(স্থানীয় সময়) প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
সেই কথা মাথাতে রেখেই, এবার দুই ‘বন্ধু’ দেশ ভারত ও চীনের পাশে দাঁড়াল রাশিয়া। ইউরোপের দেশগুলি ও আমেরিকাকে স্পষ্ট ভাষায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন জানিয়ে দিলেন, ‘ঔপনিবেশিক যুগের অবসান ঘটেছে। ভারতের জনসংখ্যা এখন ১৫০ কোটি। চীন শক্তিশালি অর্থনীতির দেশ। তাদেরও নিজস্ব রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং আইন রয়েছে। যখন কেউ বলে যে তোমাকে শাস্তি দেবে, তখন ভাবতে হবে— এই বড় দেশগুলির নেতৃত্ব কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে?’ পুতিনের দাবি, আমেরিকা ভারত ও চীনের উপর শুল্ক লাগু করেছে শুধুমাত্র দুই দেশের নেতৃত্বকে দুর্বল করার জন্য। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘ভারত ও চীন ইতিহাসের কঠিন সময় দেখেছে। যেমন উপনিবেশবাদ। দীর্ঘ সময় ধরে তাদের সার্বভৌমত্বের উপর কর আরোপ করা হয়েছিল। যদি ওদের মধ্যে কেউ দুর্বলতা দেখায়, তাহলে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শেষ হয়ে যাবে। তাই ভারত ও চীনের বিরুদ্ধে এইভাবে কথা বলা যাবে না।’