Bartaman Logo
৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গরমে নাজেহাল শহর ঝুঁকেছে লস্যি, কালো আঙুরের জুসে

তীব্র গরমে হাঁসফাস অবস্থা শহরের। আর্দ্রতার কারণে সকলে ঘেমে‑নেয়ে একশা। মানুষ খানিক ঠান্ডা হতে সরবতের দোকানে ঢুঁ মারছেন

গরমে নাজেহাল শহর ঝুঁকেছে লস্যি, কালো আঙুরের জুসে
  • ২০ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুকান্ত বসু, কলকাতা: তীব্র গরমে হাঁসফাস অবস্থা শহরের। আর্দ্রতার কারণে সকলে ঘেমে‑নেয়ে একশা। মানুষ খানিক ঠান্ডা হতে সরবতের দোকানে ঢুঁ মারছেন। বেশিরভাগ মানুষের পছন্দ বরফকুচি দেওয়া টক দইয়ের ঠান্ডা লস্যি। সে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে কালো আঙুরের রস। 

Advertisement

কলকাতায় এক গ্লাস লস্যির মোটামুটি দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা। কোথাও ৬০ টাকাও দাম নিচ্ছেন দোকানদাররা। সোমবার শহরের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা গিয়েছে লস্যি ও কালো আঙুরের জুসের চাহিদা মারাত্মক। তৃতীয় স্থান দখল করে রেখেছে আম লস্যি। দোকানদারদের বক্তব্য‌, কয়েকদিন ধরে গরম বাড়ছে। টক দইয়ের ল঩স্যির চাহিদাও বাড়ছে রমরমিয়ে। বেশি করে দই পাততে হচ্ছে। লস্যি বানাতে লাগে টক দই, জল, চিনি, কুচো বরফ, সুগন্ধি ও কাজু বাদামের গুঁড়ো। হাতিবাগানের এক লস্যি বিক্রেতা স্বপন সাহা বলেন, ‘গতবছর চকোলেট, রোজ, কেশর, ম্যাঙ্গো লস্যির চাহিদা ভালো ছিল।’ বড়বাজারের এমজি রোডের জুস বিক্রেতা সঞ্জয় সাউ বলেন, ‘টক দইয়ের লস্যির চাহিদা বেশি। যদিও অনেকে আপেল, মিক্স ফ্রুট, অরেঞ্জ, মৌসম্বি জুস প্রভৃতি চাইছেন।’ 
অনেকে বাস থেকে নেমেই চলে আসছেন জুসের দোকানে। আগে চুমুক দিয়ে ঠান্ডা হচ্ছেন। তারপর যাচ্ছেন গন্তব্যে। কেউ কেউ ল঩঩স্যি কিনে বাড়ি নিয়েও যাচ্ছেন। বাগবাজার স্ট্রিটের সমরেশ পাল বলেন, ‘গরমে টক দই শরীরের পক্ষে খুব ভালো। তাই এই লস্যিটাই খাচ্ছি।’ শ্যামবাজারে ভুপেন বোস অ্যাভিনিউতে একটি দোকানে দাঁড়িয়ে লস্যি খাচ্ছিলেন দমদমের দুই গৃহবধূ। তাঁরা বলেন, ‘বাড়ির কাজে এসেছিলাম। প্রচণ্ড গরম। তেষ্টা মেটাতে লস্যি খেলাম। বেশ ভালো খেতে।’ তীব্র গরমে আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিংকসকে পিছনে ফেলে এবছর সুপার ডুপার হিট টক দইয়ের লস্যি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ