নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ই-সাক্ষ্য অ্যাপে তদন্তকারী আধিকারিকদের নাম নথিবদ্ধকরণের হার কম। মঙ্গলবার ভার্চুয়াল বৈঠকে এনিয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ লালবাজার। ভার্চুয়াল বৈঠকে বিষয়টি তুলে ধরেন জয়েন্ট কমিশনার (ক্রাইম) সোমা দাস মিত্র। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তদন্তকারীদের নাম নথিবদ্ধকরণের সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা পুলিশে এএসআই থেকে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার র্যাংক অনুযায়ী মোট ৫,৬০১ জন তদন্তকারী আধিকারিক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে মাত্র ৯৪৪ জনের নাম এই অ্যাপে নথিবদ্ধ হয়েছে। গত তিন দিনে মাত্র তিনজনের নাম নথিবদ্ধ করা হয়েছে। এদিনের বৈঠকে নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, ডিভিশনাল এসিপি-রা এই অ্যাপে তদন্তকারীদের নাম তোলার জন্য নোডাল অফিসার হিসেবে রয়েছেন। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। শুধু তাই নয়, তদন্তকারী আধিকারিকদের তদন্তের স্বার্থে বাজেয়াপ্ত হওয়া সামগ্রী ও নথির তথ্য আগামী ২৫ তারিখ থেকে এই অ্যাপে আপলোড করতে হবে। নির্দেশের অন্যথা বলে বিভাগীয় পদক্ষেপেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এই কাজের জন্য তদন্তকারী আধিকারিকরা বছরে যাতে ৩,৫০০ টাকা পান, সেই প্রস্তাব সরকারের কাছে পাঠানো হবে। শুধু তাই নয়, তদন্তপ্রক্রিয়ায় গাফিলতির জন্য তদন্তকারী আধিকারিকরা বিভিন্ন সময় আদালতে ভর্ৎসিত হন। সেই বিষয়ের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তদন্তের ফাঁকফোকর রুখতে তদন্তকারী আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্রুত হেডকোয়ার্টার থেকে প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠানো হবে। ডিভিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ও ডেপুটি কমিশনাররা তদন্তকারীদের প্রশিক্ষণ দেবেন।