নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দম্পতির বিচ্ছেদের বিষে সম্পর্ক বিষিয়ে উঠলে ভুগতে হয় সন্তানকে। যেমন ভুগছে আট বছরের ছোট্ট রোহন (নাম পরিবর্তিত)। বৈবাহিক সম্পর্ক ভাঙতে চেয়ে নিম্ন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রোহনের বাবা রোহিত ও মা নিশা (উভয়ের নাম পরিবর্তিত)। রোহনকে বিচারক প্রশ্ন করেছিলেন, কার কাছে থাকতে চাও? অবুঝ শিশু অত কিছু বোঝে না। উত্তর দিয়েছিল, বাবা-মা দু’জনের কাছেই থাকতে চাই। একরত্তি সন্তানের এই উত্তর মা-বাবার মনে মোটেও দাগ কাটেনি। বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তেই অটল ছিলেন তাঁরা। শেষে রোহনের হেপাজত পান মা নিশা। কারণ, শিশুর হেপাজতের ক্ষেত্রে বাবার তুলনায় মায়ের অগ্রাধিকার বেশি। নিম্ন আদালতের যুক্তি ছিল, বাবা মাছ ব্যবসায়ী। মা উচ্চশিক্ষিতা। তাই শিশুর দেখভাল মায়ের কাছেই হবে ভালো। এরপর বিষয়টি গড়ায় হাইকোর্টে। তারপর চিরাচরিত নিয়মের উল্টোপথে হেঁটে নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্ট। মায়ের বদলে বাবার কাছে যায় রোহনের দেখভালের দায়িত্ব।



