Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চলতি মাসেই নিয়োগ সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী, দ্রুত শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে পিএসসি, স্টাফ সিলেকশন কমিশনকে ঢেলে সাজছে রাজ্য

চলতি মাসেই মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করবেন। শূন্যপদ দ্রুত পূরণের লক্ষ্যে নতুন নীতি ঘোষণা হবে। বিস্তারিত পড়ুন।

চলতি মাসেই নিয়োগ সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী, দ্রুত শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে পিএসসি, স্টাফ সিলেকশন কমিশনকে ঢেলে সাজছে রাজ্য
  • ১০ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দ্রুত সরকারি দপ্তর ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। রাজ্যে ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার এই কথা ঘোষণা করেছে। সেই সূত্রেই সরকারি দপ্তর ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলিতে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি)  পাশাপাশি স্টাফ সিলেকশন কমিশন (এসএসসি)-কে কার্যকর করার চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিয়োগের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিকে নিয়ে বৈঠক করবেন। জুন মাসের ৫ তারিখ এই বৈঠক নির্ধারিত থাকলেও পরে তা বাতিল করা হয়। এর মধ্যে কোনো কোনো নিয়োগ সংস্থাকে নতুন করে গঠন করা হবে। 

Advertisement

গত সরকারের সময় নিযুক্ত পিএসসির চেয়ারম্যান সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন। পিএসসির নতুন চেয়ারম্যানের পাশাপাশি সদস্যদের নিযুক্ত করা হবে। এসএসসির মাধ্যমে সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলিতে কর্মী নিয়োগ করতে হলে ওই নিয়োগ সংস্থাকে ঢেলে সাজতে হবে। প্রশাসনিক মহল মনে করছে, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নিয়োগ সংস্থাগুলির বৈঠকের পর এই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন আগামী ১৮ জুন শুরু হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন, কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন নীতি ও নিয়ম বিধানসভাতেই ঘোষণা করা হবে। 
পিএসসির মাধ্যমেই মূলত সরকারের দপ্তরগুলিতে বিভিন্ন পদে কর্মী ও আধিকারিক নিয়োগ করা হয়। গ্রুপ এ থেকে সি শ্রেণির স্থায়ী পদে নিয়োগ সাধারণত পিএসসির মাধ্যমে হয়। বাম সরকারের শেষ দিকে একবার গ্রুপ ডি পদেও কর্মী নিয়োগ করেছিল পিএসসি। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার গ্রুপ ডি রিক্রুটমেন্ট বোর্ড গঠন করে একবার কর্মী নিয়োগ করেছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে ওই বোর্ড তুলে দিয়ে বিধানসভায় বিল পাশ করিয়ে নতুন করে এসএসসি গঠনের ব্যবস্থা করা হয়। এর আগে তারাই এসএসসি গঠন করে তার মাধ্যমে সরকারি অফিস ও কিছু প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। সরকারি দপ্তরে লোয়ার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগের প্রক্রিয়া চলার সময় এসএসসি তুলে দেওয়া হয়। বিভিন্ন নিয়োগের যে প্রক্রিয়া এসএসসির মাধ্যমে চলছিল, তা ফের পিএসসি-কে দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে নতুন করে এসএসসি গঠন হলেও তারা এখনও কোনো নিয়োগ শুরু করেনি। যদিও এসএসসির অফিসে কর্মীদের নিয়ে আসা হয়েছিল। এসএসসিকে নতুন করে ঢেলে সাজলে তার মাধ্যমে তাড়াতাড়ি কর্মী নিয়োগ করা যাবে বলে প্রশাসনিক মহল মনে করছে। সরকারি দপ্তর ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে গ্রুপ সি  এবং ডি পদে এসএসসির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের সুযোগ আছে বলে মনে করছে তারা। এই দুই শ্রেণির পদে বেশি নিয়োগ হওয়ার কথা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ