Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

এমএসএমই-কে সাহায্য নয়, সেই ঋণই দিতে চলেছে কেন্দ্র

‘সব ঠিক আছে’ আশ্বাস দেওয়া চলছে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে। পেট্রল সমস্যা নেই। এলপিজি সমস্যা নেই। অর্থনীতির সমস্যা নেই। অথচ এলপিজি না পেয়ে পরিযায়ী শ্রমিকের দল আবার দলে দলে ঘরমুখী।

এমএসএমই-কে সাহায্য নয়,  সেই ঋণই দিতে চলেছে কেন্দ্র
  • ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘সব ঠিক আছে’ আশ্বাস দেওয়া চলছে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে। পেট্রল সমস্যা নেই। এলপিজি সমস্যা নেই। অর্থনীতির সমস্যা নেই। অথচ এলপিজি না পেয়ে পরিযায়ী শ্রমিকের দল আবার দলে দলে ঘরমুখী। আমদানি থমকে গিয়েছে। ফলে কাঁচামাল না পাওয়ায় বহু পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। সবথেকে বিপদে পড়েছে দেশের ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলি। বহু কারখানা ও ক্ষুদ্র ইউনিট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এমএসএমই সেক্টরের পরিস্থিতি এতই বেহাল যে কারখানা বন্ধ হওয়ায় নতুন করে যেমন  লোন পাওয়া যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে প্যাকেজ চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু জানা যাচ্ছে, কোনো সরাসরি আর্থিক সহায়তা ও অন্য সুবিধা পাওয়া যাবে না। বরং মোদি সরকার সহায়তা প্যাকেজ নামে বরাবর যা দিয়ে থাকে, এবার পুনরায় সেই ক্রেডিট গ্যারান্টি প্যাকেজ দেবে। অর্থাৎ আবার পুনরুজ্জীবনের জন্য ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিতে হবে ক্ষুদ্র সংস্থাকেই। লোন যাতে পাওয়া যায় সেই পথ সুগম করার জন্য সরকার হবে গ্যারান্টার। সেজন্য আবেদনও করতে হবে। পূর্বতন লোন পরিশোধের রেকর্ড এবং পারফরম্যান্স দেখে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে কাদের দেওয়া হবে ক্রেডিট গ্যারান্টি সার্টিফিকেট। 

Advertisement

আড়াই লক্ষ কোটি টাকা পর্যন্ত এই ক্রেডিট গ্যারান্টি প্যাকেজ দেবে কেন্দ্র। অর্থমন্ত্রক নীতিগত সবুজ সংকেত দিয়েছে। যেকোনো সময়ই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। সরকার স্থির করেছে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি থেকে ক্ষুদ্র সংস্থাকে রক্ষা করতে এই ঋণ প্রকল্প নেওয়া হবে। ১৮ হাজার কোটি টাকা এজন্য‌ আলাদাভাবে সরিয়ে রাখা হবে। ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত লোনের ক্ষেত্রে সরকার ৯০ শতাংশ পর্যন্ত গ্যারান্টার হবে। এর আগে করোনাকালে এরকমই ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম নেওয়া হয়েছিল ২০২০ সালে। সেই ফরমুলাতেই এবার এই প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু উৎপাদন ও বাণিজ্য যাদের বিপর্যস্ত, তাদের নিজেদেরই আবার লোন নেওয়া ও পরিশোধ করার মতো অবস্থা কতটা আছে, সেটাই সংশয়। এমএসএমই সেক্টর চা‌ই঩ছিল সরকার সরাসরি কোনও প্যাকেজ দিক, যা লোনের পরিপূরক। কিন্তু সেটা হচ্ছে না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ