নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জিএসটি লাঘব হয়েছে। কিন্তু সে জন্য রাজ্যগুলির যে রাজস্ব ক্ষতি হবে, তা মিটবে কোথা থেকে? সেই ব্যাপারে দিশাই দেয়নি কেন্দ্র। আর তা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ‘জিএসটির হার কমানোয় শ্যাম্পুর মতো কিছু জিনিসের দাম কমবে। কিন্তু রাজ্যগুলির রাজস্ব ক্ষতি মিটবে কীভাবে? তার দিশা যদি কেন্দ্র না দেখায়, সামাজিক প্রকল্পগুলিতে তার প্রভাব পড়তে বাধ্য। স্বাস্থ্য, শিক্ষার পাশাপাশি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা অন্যান্য সামাজিক প্রকল্পগুলিতে বিপুল টাকা খরচ করা হয়। কিন্তু রাজস্বে টান পড়লে তাতে প্রভাব পড়বেই।’ কেন্দ্রীয় রাজস্ব সচিব জানিয়েছেন, জিএসটি হারের পরিবর্তনে প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হবে। সঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘সাপ্লাই চেন’ সংক্রান্ত ক্ষতি কত হবে, তা হিসেবে আনা হয়নি। অমিতবাবুর দাবি, ‘সার্বিকভাবে ক্ষতির অঙ্ক ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। আমাদের পরামর্শ, সরকার রাজ্যগুলির রাজস্ব ক্ষতি মেটাতে তামাকজাত দ্রব্যের মতো সিন গুড থেকে আরও কর আদায়ের জন্য জিএসটি আইনের সংশোধন করুক। পাশাপাশি পেট্রল ও ডিজেলে কেন্দ্রীয় করের ভাগ রাজ্যগুলিকে দেওয়া হোক। কারণ, কেন্দ্র জ্বালানি থেকে ২.৭ লক্ষ কোটি টাকা সেস বাদ আদায় করেছে। তার এক টাকাও রাজ্যগুলিকে দেয়নি। এরাজ্য থেকেই সেস আদায়ের পরিমাণ ৬৭ হাজার কোটি টাকা। সেসকে যদি ট্যাক্সে রুপান্তরিত করা যায়, তাহলে তার ৪১ শতাংশ ভাগ পেতে পারে রাজ্যগুলি।’



