Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তিস্তার জলে ভেসে গিয়েছে সাঁকো

মাল মহকুমার ক্রান্তি ব্লকের চাপাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের কেরানিপাড়া সহ আশপাশের গ্রামবাসীদের বাড়ল দুর্ভোগ।

তিস্তার জলে ভেসে গিয়েছে সাঁকো
  • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: তিস্তা নদীর জলস্ফীতিতে ভেসে গিয়েছে সাঁকো। মাল মহকুমার ক্রান্তি ব্লকের চাপাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের কেরানিপাড়া সহ আশপাশের গ্রামবাসীদের বাড়ল দুর্ভোগ। এখন প্রায় ছ’কিমি ঘুর পথে তাঁদের চলাচল করতে হচ্ছে। তিস্তার জল বৈদ্যডাঙি নদীতে ঢুকে পড়াতেই এই বিপত্তি। বাঁশের সাঁকোটি এমনিই ছিল দুর্বল। জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় সেটির একাংশ ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে শুক্রবার দিনের বেলাতেই। তাই তিনদিন ধরে বেড়েছে দুর্ভোগ। কতদিন এই দুর্ভোগ থাকবে তা জানেন না গ্রামবাসীরা। 

Advertisement

স্থানীয় সূত্রেই জানা গিয়েছে, সাঁকোর দু’পাশের কয়েক হাজার মানুষের বাস। একাংশ মানুষ দৈনন্দিন প্রয়োজনে সাঁকো পারাপার করতেন। দ্রুত যাতে ব্লক সদরে পৌঁছনো যায় তারজন্য বাঁশের সাঁকোই ছিল তাঁদের ভরসা। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে যাওয়া প্রসূতিরা সাঁকো ব্যবহার করতেন। শুক্রবার দিনের বেলায় তিস্তা নদীর জল বেড়ে যাওয়াতেই এমনটা হয়েছে, দাবি গ্রামবাসীদের। তাঁরা কংক্রিটের সেতুর দাবি তুলেছেন। যদিও প্রশাসন রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ফান্ড বা আরআইডিএফ থেকে সেতু তৈরি করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। কেরানিপাড়ার বাসিন্দা পরিমল রায় বলেন, স্কুল কলেজ যাওয়ার জন্য অথবা  নিত্যপ্রয়োজনে আমরা সকলেই বাঁশের সাঁকোটি ব্যবহার করতাম। কম সময়ে সহজে যাতায়াত করতে গেলে এই সাঁকোই ছিল ভরসা। তিস্তার জল ঢুকে যাওয়ায় বৈদ্যডাঙি নদীর জল বেড়ে যায়। এতেই এই বিপত্তি। এখন ছ’কিমি রাস্তা ঘুরতে হবে। 
মাল মহকুমার ক্রান্তি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পঞ্চানন রায় বলেন,  সেতু ভেসে যাওয়ায় দুর্ভোগ বাড়ল, এটাই স্বাভাবিক। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আরআইডিএফ থেকে সেতু করা হবে বলে আশ্বাস পেয়েছি। 
উল্লেখ্য, বৈদ্যডাঙি নদীর একদিকে আছে কেরানিপাড়া, মাস্টারপাড়া, বিদূরের ডাঙা, ভুঁইয়াপাড়া, বাবুপাড়া, মৌলানি ও বৌলবাড়ি। অন্যদিকে, সেনপাড়া বাসুসুবা, ঠাকুরদাসপাড়া। এখন বাসুসুবা হয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।  নিজস্ব চিত্র। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ