Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

‘কলকাতার শ্রোতা সমঝদার, শিল্পীর কদর করেন’

ডোভারলেনে প্রথম অনুষ্ঠান। চিন্তা হচ্ছে? শিঞ্জিনীর কথায়, ‘একটু চিন্তা তো হচ্ছেই।

‘কলকাতার শ্রোতা সমঝদার, শিল্পীর কদর করেন’
  • ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সায়নদীপ ঘোষ: ডোভারলেনে প্রথম অনুষ্ঠান। চিন্তা হচ্ছে? শিঞ্জিনীর কথায়, ‘একটু চিন্তা তো হচ্ছেই। এখানে আমার দাদু পণ্ডিত বিরজু মহারাজ একাধিকবার নৃত্য পরিবেশন করেছেন। আমার মামা অনুষ্ঠান করেছেন। তাঁদের ঐতিহ্য আর পরম্পরাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।’ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা বিষয়ে শিল্পী বলেন, ‘বিন্দাদিন মহারাজের কিছু ঠুমরী আমার খুব প্রিয়। অভিনয়ের মাধ্যমে সেসব রচনার ভাব ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করব। একইসঙ্গে বিভিন্ন তালে লয়কারির সাহায্যে ঘরানার বৈশিষ্ট্য তুলে ধরব।’ ছোটবেলায় দাদুর সঙ্গে ডোভার লেনে এসেছেন কখনও? একটু ভেবে শিল্পীর উত্তর, ‘ডোভার লেনে দাদুর অনুষ্ঠান দেখতে কখনও আসা হয়নি। তবে কলকাতার বিভিন্ন মঞ্চে ওঁকে চাক্ষুষ করার সুযোগ পেয়েছি। সময় হলেই দাদুর সঙ্গে কলকাতা আসতাম। জানতাম, এই শহরে অনুষ্ঠান একটু অন্যরকম হবে। এখানকার শ্রোতা সমঝদার। শিল্পীদের কদর করেন।’ 

Advertisement


ছোটোবেলার কথা কিছু মনে পড়ে? শিঞ্জিনীর জবাব, ‘তিন বছর বয়সে নাচ শেখা শুরু করি। নৃত্যশিল্পী হওয়ার কোনও আকাঙ্ক্ষা ছিল না। দাদুর কাছে তালিম নিতাম নিয়মিত। কত্থক ছিল জীবনের অংশ। কলেজে পড়াকালীন বুঝতে পারলাম কত্থক ছাড়া আর কোনও কিছু ভালোবাসতে পারব না। তারপর থেকেই এদিকে বেশি মনোনিবেশ করতে থাকি। এটাই হয়তো নিয়তিতে লেখা ছিল।’ 
বিশিষ্ট কত্থক শিল্পী পণ্ডিত বিরজু মহারাজের নাতনি। কালকা-বিন্দাদিন ঘরানার উত্তরসূরি। বাড়তি চাপ না আশীর্বাদ? শিল্পীর কথায়, ‘দাদুকে একবার দেখবেন বলে কতদূর থেকে মানুষ আসতেন। তাঁর সঙ্গে থেকে কত্থকের খুঁটিনাটি শেখার সুযোগ পেয়েছি। এর চেয়ে বড় আশীর্বাদ কিছু হতে পারে না। পণ্ডিত বিরজু মহারাজ আমায় এই নৃত্যশৈলীকে ভালোবাসতে শিখিয়েছেন। তবে একটা দায়বদ্ধতা থেকেই যায়। অনেক আশা নিয়ে শ্রোতারা অনুষ্ঠান দেখতে আসেন। তাঁদের মন জয় করাটাই আসল চ্যালেঞ্জ।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ