Bartaman Logo
১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এলাকার বেহাল রাস্তাই ক্ষোভের কারণ, অনুন্নয়নের অভিযোগে সরব স্থানীয়রা

রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ফ্রেন্ডস ক্লাব থেকে বাঁ দিকে চলে গিয়েছে আঁকা-বাঁকা পথ। এই রাস্তা ধরে গেলেই একেবারে শেষ মাথায় বাড়ি সঞ্জু কর্মকারের।

এলাকার বেহাল রাস্তাই ক্ষোভের কারণ, অনুন্নয়নের অভিযোগে সরব স্থানীয়রা
  • ১ জুন, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ফ্রেন্ডস ক্লাব থেকে বাঁ দিকে চলে গিয়েছে আঁকা-বাঁকা পথ। এই রাস্তা ধরে গেলেই একেবারে শেষ মাথায় বাড়ি সঞ্জু কর্মকারের। তৃণমূলের দাবি, ভোট পরবর্তী হিংসায় তাঁকে খুন করেছে বিজেপির লোকজন। ওই রাস্তার সিংহভাগই জল-কাদা আর গর্তে ভরা। যেন নরক যন্ত্রণার সমান। বেহাল রাস্তার সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জেরবার স্থানীয়রা। রাস্তা মেরামত না হওয়ায় এলাকার কাউন্সিলার অনিতা বসু ও তৃণমূলের উপর রাগ পুষে রেখেছিলেন বাসিন্দারা। শনিবার তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এলাকায় ঢুকতেই অন্যান্য বিষয় সহ স্থানীয় ইস্যু নিয়ে তাঁর উপর বাণের মতো আছড়ে পড়ে জনরোষ।

Advertisement

ফ্রেন্ডস ক্লাবের বাঁদিকের গলি ধরে এগতেই চোখে পড়ল, রাস্তায় পাথর পড়লেও পিচ এখনও পড়েনি। আরেকটু এগলেই শরৎ সরণি। সেখানে রাস্তার একটা বড়ো অংশ ভেঙে চুরমার। রাস্তার মাঝখানে একটি কালভার্ট রয়েছে, সেটিও ভাঙা। কোনো এক সময়ে পাইপলাইনের কাজের জন্য রাস্তা খোঁড়া হয়েছিল। কিন্তু তারপর থেকে আর রাস্তা মেরামতই করা হয়নি বলে অভিযোগ। এই রাস্তা দিয়ে বাইক বা সাইকেল নিয়ে যাতায়াত করা রীতিমতো ঝুঁকির কাজ। কারণ যত্রতত্র বড়ো বড়ো গর্ত হয়ে রয়েছে, ফলে যখন তখন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় বাসিন্দাদের। আরো চমকে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি বিবেকানন্দ নগরে। যেখানে ওই মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়ি। তার সামনে ও পাশের রাস্তা দেখে বোঝার উপায় নেই যে, জায়গাটি পুরসভা নাকি পঞ্চায়েত এলাকার মধ্যে পড়ে। পিচের আস্তরণ বলে কিছু নেই। মাটির এবড়োখেবড়ো রাস্তা। তার উপর দিয়ে রোজ যাতায়াত করেন এলাকার মানুষ। সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদায় প্যাচপ্যাচ করে এইসব রাস্তা। তবে কিছু কিছু অংশে রাস্তা কংক্রিট করা হলেও তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে এই প্রসঙ্গে বলেন, রাস্তাঘাটের এত খারাপ অবস্থা। কাউন্সিলারকে বলেও কিছু লাভ হয়নি। এলাকায় তো তাঁকে দেখাই যায় না। আগের সরকারের দুর্নীতি ও অন্যান্য ইস্যুর সঙ্গে মানুষ স্থানীয় সমস্যা নিয়ে তৃণমূল সাংসদের উপর যাবতীয় রাগ অভিমানের ঝাল মিটিয়েছেন। কিন্তু কেন কাজ হয়নি, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। এই নিয়ে কাউন্সিলারের স্বামী হেমন্ত বসু বলেন, পুরসভার হাতে টাকা না থাকায় সব জায়গায় সমানভাবে কাজ করা যায়নি। তাও গত দু’বছরে ওই এলাকায় অনেক রাস্তা হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ