ইসলামাবাদ: বৃহস্পতিবারই অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর হাতে খুন হয়েছে পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান। তারপর থেকেই মৃত্যুভয় গ্রাস করেছে জঙ্গি গোষ্ঠীর পান্ডাদের? শুক্রবার হামজার শেষকৃত্যে বেনজির নিরাপত্তা বলয় দেখে এমনই আলোচনা শুরু হয়েছে। শুক্রবার হামজার শেষকৃত্যে যোগ দিয়েছিল হিজবুল মুজাহিদিনের প্রধান নেতা সৈয়দ সালাউদ্দিন থেকে আলবদরের প্রধান বখত জামিন খানের মতো একের পর এক কুখ্যাত জঙ্গিনেতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, আলবদরের প্রধান বখত জামিন খানকে ঘিরে রেখেছে একাধিক একে৪৭ ধারী নিরাপত্তারক্ষীরা। অন্যান্য জঙ্গি নেতাদের সঙ্গেও ছিল কালাশনিকভ-ধারীদের বলয়। আদতে জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা বুরহান ‘ডক্টর’ নামে পরিচিত ছিল। তার প্রকৃত নাম আরজুমন্দ গুলজার দার। পুলওয়ামা হামলা সহ ভারতের বেশ কয়েকটি নাশকতার সঙ্গে যুক্ত ছিল সে। হামজাকে ধরতে ভারতে ব্যাপক অভিযান শুরু হলে সে পাকিস্তানে পালিয়ে যায়। মুজাফ্ফরাবাদে কলেজ শিক্ষক পরিচয়ে গা ঢাকা দেয় সে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কলেজ চত্বরের বাইরে পা রাখতেই তাকে খুব কাছ থেকে গুলি করে আততায়ী। তিনটি গুলি লাগে হামজার মাথায়। হামজাকে খুন করার পর মোটরসাইকেলে করে পালাতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ে যায় আততায়ী। তাঁকে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। যদিও ঘাতকের পরিচয় এখনও জানায়নি পাকিস্তান প্রশাসন।



