


সংবাদদাতা, বনগাঁ: শ্বশুরকে বাবা সাজিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েতের ভিসিটি কর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, যুবক বাংলাদেশি। বনগাঁ ব্লকের সুন্দরপুর পঞ্চায়েতের পাটশিমুলিয়ার ‘বাসিন্দা’ সাহিদ মণ্ডলের নামে স্থানীয় বিডিওর কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুবক। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোটার তালিকায় সাহিদ মণ্ডলের বাবার নাম ওহিদুল মণ্ডল। বাগদা ৪ নম্বর মণ্ডল বিজেপি সভাপতি সুমন অধিকারীর দাবি, ওহিদুল সাহিদের শ্বশুর। তাঁর স্ত্রীর নাম সাবানা মণ্ডল। ভোটার তালিকায় সাবানার বাবা হিসেবেও ওহিদুল মণ্ডলের নাম রয়েছে। যদিও সাহিদ বলেন, ‘আমার বাবা, ঠাকুরদা সকলেই এদেশের বাসিন্দা। আমার জন্ম এদেশে। আমি এখনও বিয়ে করিনি।’ তবে বিজেপি অনড় অভিযোগে। একজন বাংলাদেশি নাগরিক কীভাবে পঞ্চায়েতে কাজ পেল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা। এবিষয়ে সুন্দরপুর পঞ্চায়েতের প্রধান কামরুন নাহার মণ্ডল বলেন, ‘সাহিদ আমাদের পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা। এখানকার ভোটার। সেই কারণে তাঁকে ভিসিটি কর্মী হিসেবে কাজ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’ ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, বাগদা বিধানসভার ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ গেলেও একই নম্বরের ভোটার কার্ডের হদিশ মিলল রাজারহাটে। নাম ও এপিক নম্বর একই থাকলেও ঠিকানা ও বাবার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। ফের ভোটার তালিকায় নিজের নাম তুলতে বাগদার বিডিওর দারস্থ হয়েছেন প্রাণকৃষ্ণ বিশ্বাস। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার রানিহাটি গ্রামের বাসিন্দা প্রাণকৃষ্ণের নাম রয়েছে ২০১৬ , ২০১৯ , ২০২০ সালের ভোটার তালিকায়। কিন্তু, ২০২৪ সালে তাঁর নাম কাটা যায়। তিনি ভিন রাজ্যে থাকতেন। কয়েকবছর আগে পাকাপাকি ভাবে বাগদা চলে আসেন। বাগদার বিডিও প্রসূনকুমার প্রামাণিক বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ এমন অবস্থায় ভোটার তালিকায় নাম সুরক্ষিত রাখার দাবিতে মঙ্গলবার বনগাঁয় ‘মর্যাদা র্যালি’ করলেন মতুয়ারা। র্যালির নেতৃত্ব দেন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের বনগাঁ মহকুমার যুগ্ম সম্পাদক মনোজ টিকাদার ও প্রসেনজিৎ বিশ্বাস।