Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নির্ভয়ে প্রচার করতে বলুন তৃণমূল প্রার্থীকে, ফলতার সভায় দলীয় কর্মী-সমর্থকদের আহ্বান শমীকের

‘ফলতা বিধানসভার নির্বাচনের প্রচারে তৃণমূল কর্মী ও তাদের দলের প্রার্থীকে প্রচারে দেখা যাচ্ছে না কেন? ওঁনাদের ডেকে বলুন, কোনো ভয় নেই। প্রচারে বের হন। দরকার হলে বিজেপি দলের কর্মী ও নেতারা ওঁনাদের সহায়তা করুন।

নির্ভয়ে প্রচার করতে বলুন তৃণমূল প্রার্থীকে, ফলতার সভায় দলীয় কর্মী-সমর্থকদের আহ্বান শমীকের
  • ১৮ মে, ২০২৬ ০৪:০০

সংবাদদাতা, ফতেপুর: ‘ফলতা বিধানসভার নির্বাচনের প্রচারে তৃণমূল কর্মী ও তাদের দলের প্রার্থীকে প্রচারে দেখা যাচ্ছে না কেন? ওঁনাদের ডেকে বলুন, কোনো ভয় নেই। প্রচারে বের হন। দরকার হলে বিজেপি দলের কর্মী ও নেতারা ওঁনাদের সহায়তা করুন। যদি মঞ্চ বাঁধার লোক না পায়, তা হলে বিজেপি র লোকজন তা করে দেবে। এটাও আশ্বস্ত করুন।’ রবিবার বিকেলে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী দেবাংশু পান্ডার সমর্থনে ফতেপুর শ্রীনাথ ইনস্টিটিউটের মাঠের জনসভায় দলের কর্মীদের প্রতি এই আহ্বান জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘ওঁনাদের (তৃণমূল) বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝান। বলুন, তাঁরা তাঁদের পছন্দ অনুসারে তৃণমূলের পক্ষে নামুক। ভোটের দিন বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূলকেই ভোট দিক। সেই স্বাধীনতা থাকবে। তা নিয়ে বিজেপি নাক গলাবে না। কারণ, ভারতীয় জনতা পার্টি মহানায়ক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হাতে গড়া, তাঁর আদর্শে চলে। যার মূল সুর হল হিংসা নয়, বৈরিতা নয়, বিদ্বেষ নয়, ভালোবাসা দিয়েই সকলে একজোট হোক।  শমীকবাবু বলেন, তৃণমূলের সকলকে বলুন, বিজেপি দল আপনাদের মতো হিংসা, পরস্পরের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ, খুনোখুনির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে চিরদিনের মতো রাজনীতির ময়দান থেকে হিংসা, বৈরিতা ও পরস্পরের মধ্যে হানাহানি বন্ধ করতে। শান্তিপূর্ণভাবে খোলা হাওয়া বইয়ে দিতে। যাতে স্বাধীনভাবে জনমত ও জনগণ চলতে পারে। এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

Advertisement

দলীয় প্রার্থী দেবাংশু পান্ডাকে সামনে এনে সভাস্থলে হাজির জনতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এখন সরকারে বিজেপি। কিন্তু তবুও এই কেন্দ্র থেকে পদ্ম প্রার্থীকে এক লাখের বেশি ভোটে জেতাতে হবে। কারণ, ফলতার মানুষের মুক্তির স্বাদ পাবে। একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, ‘ছ’ মাস অপেক্ষা করুন। অনাবাসী শিল্পপতি এবং দেশের শিল্পপতি যাঁরা অসম ও ওড়িশায় গিয়ে মাঝারি ও ভারী শিল্প তৈরি করেছেন, তাঁদের সকলকে এই রাজ্যে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছি। বলেছি, এখানে সব ধরণের পরিকাঠামো রয়েছে। ঘরের শিল্পপতি ছেলেদের ঘরে ফিরতে বলেছি। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় চাইছি বেশি করে শিল্প হোক। কারণ, ভারতের বিভিন্ন জায়গাতে যত পরিযায়ী কর্মী কাজ করতে যান, তার অধিকাংশই এই জেলার। তাই এখানে শিল্প হলে, আর কাউকে বাইরে যেতে হবে না। পরিযায়ী তকমাও মুছে যাবে।’ শমীকবাবু এদিন ফের জানিয়ে দেন, ‘আমাদের সরকার ও পার্টি আলাদা। সরকার তার মতো কাজ করবে। দল তার মতো চলবে। আগের সরকারের মতো কেউ কারও কাজে নাক গলাবে না।’ এদিনের সভায় বক্তব্য রাখেন তমোনাশ ভৌমিক, সাগরের বিধায়ক সুমন্ত্র মণ্ডল, বিধান পাড়ুই, অম্লান ভাদুড়ি, সুফল ঘাঁটু, সোমা ঘোষ প্রমুখ।

সম্পর্কিত সংবাদ