নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাঠের বাইরে সাত চড়ে রা নেই। কথা বলেন নীচু স্বরে। কিন্তু বল পায়ে পড়লে এই রশিদই আগুনের গোলা। কড়া ট্যাকল, দুরন্ত ডিস্ট্রিবিউশনে জুড়ি নেই। যুদ্ধবিধ্বস্ত প্যালেস্তাইন তাঁর দেশ। তাই লড়াই রশিদের রক্তে। রবিবার মোহন বাগান মাঝমাঠকে ফালাফালা করেও নিষ্পৃহ তিনি। এদিন বললেন, ‘দায়িত্ব পালন করে খুশি। তার চেয়েও আনন্দিত সমর্থকদের জন্য। ওরা হাসি মুখে বাড়ি ফিরছে।’ সৈনিকের ইউনিফর্ম খুলে রেখে রশিদ ফের বিনয়ী মোডে।
পরিবার অন্তপ্রাণ। এক বছর আগে বাবাকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছিলেন। ডুরান্ড কাপের প্রথম ডার্বির আগেই দেশে ফিরতে হয়েছিল তাঁকে। তারপর হাওড়া ব্রিজের নীচ নিয়ে অনেক জল বয়েছে। আইএসএলের চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচ হোক বা এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ— মোক্ষম সময়ে রশিদই মশালের আগুন। দুবাইয়ে বিমানবন্দর থেকে মুঠোফোনে প্যালেস্তাইন মিডিওর মন্তব্য, ‘দলে সবার নির্দিষ্ট ভূমিকা থাকে।’ চলতি মরশুমে নিজেকেও যেন ছাপিয়ে যাচ্ছেন তিনি। রবিবার মাঠে ঢোকার টানেলেই মিগুয়েলের সঙ্গে দেখা। প্রাক্তন সতীর্থর সঙ্গে হাত মিলিয়েই যুদ্ধে নামা। তবে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলারকে রোখার আলাদা পরিকল্পনা ছিলই। ডার্বি জয়ের রসায়ন কি? রশিদের জবাব, ‘ভরসা রাখুন কোচের উপর। এই দল ফুল ফোটাবে।’