Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

আগ্রাসী ক্রিকেটের হুঙ্কার টিম ইন্ডিয়ার, পাকিস্তান শব্দটাই উচ্চারণ করলেন না সূর্যকুমার

মোবাইল সুইচড অফ। হোটেল রুমের দরজা বন্ধ করে সটান ঘুমিয়ে পড়া। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে সতীর্থদের চাপ কাটানোর দাওয়াই দিলেন সূর্যকুমার যাদব।

আগ্রাসী ক্রিকেটের হুঙ্কার টিম ইন্ডিয়ার, পাকিস্তান শব্দটাই উচ্চারণ করলেন না সূর্যকুমার
  • ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৭:০৯
Prefer us on Google

দুবাই: মোবাইল সুইচড অফ। হোটেল রুমের দরজা বন্ধ করে সটান ঘুমিয়ে পড়া। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে সতীর্থদের চাপ কাটানোর দাওয়াই দিলেন সূর্যকুমার যাদব। বাইরের দুনিয়ায় যতই চর্চা আর তর্ক-বিতর্ক চলুক, তা যেন কিছুতেই প্রবেশ না করে অন্দরমহলে। রীতিমতো সচেতন ভারত অধিনায়ক। কিন্তু এভাবে কি এই মহারণের উত্তেজনাকে বশে রাখা সম্ভব? হাসিমুখে সূর্যর ব্যাখ্যা, ‘চাপ এড়ানোর এটাই সেরা রাস্তা। তবে সবসময় সেটা সম্ভব নয়। ব্যাপারটা মুখে বলা সহজ। কিন্তু কাজে করে দেখানো কঠিন। মাঠের বাইরে অনেক বন্ধুবান্ধবের সঙ্গেই দেখা হয় আমাদের। কারও কারও সঙ্গে ডিনারে যাই। তখন কথায় কথায় ম্যাচের প্রসঙ্গ চলে আসে। তাই শেষ পর্যন্ত চাপ সামাল দেওয়ার বিষয়টি নিজের উপরই নির্ভর করে। কোন কথাটা শুনব, কোনটা মনে রাখব— এটা নিজেকেই ঠিক করতে হয়।’

Advertisement

পুরোপুরি বহির্বিশ্ব থেকে আলাদা থাকা যে সম্ভব নয়, সেটা ভালোই জানেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন। সেজন্যই তিনি ইতিবাচক ভাবনায় জোর দিচ্ছেন। ‘স্কাই’ বলেছেন, ‘এশিয়া কাপ হোক বা অন্য কোনও আসর, সফল হতে গেলে বাইরের আওয়াজে কান দিলে চলবে না। নিজের জন্য যেটা ভালো, শুধু সেটাকেই গ্রহণ করতে হবে। কিছুই শুনব না, এটা বলছি না। অনেক সময় সুপরামর্শও তো মেলে। সেটা নেওয়ায় অসুবিধা নেই। এতে উপকারই হয়।’ অর্থাৎ নেতিবাচক ভাবনা ও সমালোচনার ক্ষেত্রেই কানের দরজা বন্ধ রাখার টোটকা দিচ্ছেন তিনি।
এই মুহূর্তে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই উত্তপ্ত বাতাবরণ। সুপার ফোরেও কি সলমন আগা ব্রিগেডের সঙ্গে হাত মেলাবে না ভারত? ফের পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হানা নিয়ে কি মুখ খুলবেন সূর্য? চর্চা চলছে জোরদার। সাংবাদিক সম্মেলনেও তা উত্থাপিত হল। কিন্তু সূর্যর রক্ষণ জমাট। এড়িয়ে গেলেন বিষয়টিকে। তাৎপর্যের হল, যে মিনিট বারো প্রশ্নোত্তর পর্ব চলল, তাতে একবারও পাকিস্তান শব্দটাই উচ্চারণ করলেন না সূর্য। বিপক্ষ দলকে চিহ্নিত করলেন ‘ওরা’, ‘ওদের’ মাধ্যমে। অথচ, খান ছয়েক প্রশ্ন এল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশের লড়াই নিয়ে। সুপার ফোরে মেগা লড়াই নিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘দু’দলের মধ্যে ভালো লড়াই হবে। আগ্রাসী মানসিকতার দ্বৈরথ দেখা যাবে। ভর্তি স্টেডিয়ামে উভয় দলের জন্যই থাকবে সমর্থন। আমাদের লক্ষ্য সেরাটা দেওয়া। আর আমরা মানসিকভাবে তৈরিও।’
অতীতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা গিয়েছে। এখন যদিও নীল জার্সিধারীদের দাপটে প্রায়ই ম্রিয়মাণ দেখায় প্রতিপক্ষকে। সূর্য অবশ্য নিরুত্তাপ, ‘অতীতে কী হতো বলতে পারব না। তখন তো খেলতাম না (হাসি)। স্টেডিয়াম ভর্তি থাকলে দলের সবাইকে একটাই কথা বলি, দুরন্ত পারফরম্যান্সে ক্রিকেটপ্রেমীদের মন ভরিয়ে দিতে হবে। এটা আমাদের কর্তব্য। সেরা ব্র্যান্ডের ক্রিকেট মেলে ধরাই হয়ে ওঠে একমাত্র লক্ষ্য।’ বক্তব্যেই পরিষ্কার, রবিবারও নিজেদের উজাড় করে দেওয়ার তাগিদ সঙ্গী হবে টিম ইন্ডিয়ার।
 ম্যাচ শুরু ভারতীয় সময় রাত ৮টায়। সম্প্রচার সোনি নেটওয়ার্কে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ