Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

জয় থেকে মাত্র ৫৮ রান দূরে টিম ইন্ডিয়া, ক্যাম্পবেল-হোপের শতরান, ইনিংস হার এড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

দ্বিতীয় টেস্ট গড়াল পঞ্চম দিনে। প্রথম টেস্টে আড়াই দিনে শেষ হয়েছিল। সেই নিরিখে এই টেস্টে অনেক বেশি লড়াকু দেখাল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।

জয় থেকে মাত্র ৫৮ রান দূরে টিম ইন্ডিয়া, ক্যাম্পবেল-হোপের শতরান, ইনিংস হার এড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  • ১৪ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: দ্বিতীয় টেস্ট গড়াল পঞ্চম দিনে। প্রথম টেস্টে আড়াই দিনে শেষ হয়েছিল। সেই নিরিখে এই টেস্টে অনেক বেশি লড়াকু দেখাল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। জন ক্যাম্পবেল ও শাই হোপ শতরান পেলেন। শেষ উইকেটে ৭৯ রান যোগ করলেন জাস্টিন গ্রিভস ও জেডন সিয়েলেস। এটা তাদের ইনিংসের দ্বিতীয় সেরা পার্টনারশিপ। আরও গুরুত্বপূর্ণ হল, দশম উইকেটের জুটি খেলল ১৩৩টি ডেলিভারি। মূলত, গ্রিভস-সিয়েলসের জন্যই চতুর্থ দিনে দাঁড়ি পড়ল না ম্যাচে। অবশ্য তার পরও ভারতের জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। চতুর্থ ইনিংসে ভারতের টার্গেট ১২১। তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে যশস্বী জয়সওয়াল উইকেট ছুড়ে দিলেও জমাট দেখাচ্ছে লোকেশ রাহুল ও সাই সুদর্শনকে। এক উইকেটে ৬৩ উঠেছে বোর্ডে। ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিততে দরকার আর মাত্র ৫৮ রান। কোনও অঘটন না ঘটলে মঙ্গলবার সকালের সেশনেই ম্যাচে যবনিকা পড়া উচিত।

Advertisement

এই টেস্ট দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ফলো-অন করিয়েছিলেন শুভমান গিল। কিন্তু ভাবাই যায়নি যে, দুই ইনিংস মিলিয়ে টানা ২০০ ওভার ফিল্ডিং করতে হবে ভারতকে। প্রথম ইনিংসে ২৪৮ রানে থামা সফরকারী দলের ফের ব্যাট করতে নেমে ৩৯০ তোলাও কল্পনার বাইরে ছিল। কোটলার পিচে ছিল না গতি-বাউন্স। উপমহাদেশে সাধারণত যেমন বল ঘুরতে দেখা যায়, সেটাও উধাও ছিল রাজধানীতে। ফলে বোলারদের কাজটা একেবারেই সহজ ছিল না। 
সোমবার সকালে দুই উইকেটে ১৭৩ নিয়ে শুরু করেছিলেন ক্যাম্পবেল, হোপরা। তখনও ৯৭ রানে পিছিয়ে তারা। স্লগ সুইপে ছক্কা হাঁকিয়ে টেস্টে প্রথম শতরান পূর্ণ করেন ক্যাম্পবেল। শেষ পর্যন্ত রিভার্স সুইপ মারতে গিয়ে রবীন্দ্র জাদেজাকে উইকেট দেন তিনি। এরপর টেস্ট কেরিয়ারের তৃতীয় শতরানে পৌঁছন হোপ। অধিনায়ক রোস্টন চেজের সঙ্গে তাঁর চতুর্থ উইকেটের জুটিতে ওঠে ৫৯। মহম্মদ সিরাজের বলে হোপ বোল্ড হতেই নামে ধস। কুলদীপ যাদবের ঘূর্ণিতে ফের বশ মানে ক্যারিবিয়ানরা। প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর শিকার সংখ্যা তিন। এদিন মাত্র পাঁচ রানের মধ্যে তিনি ফেরান তেভিন ইমল্যাচ, চেজ ও খারি পিয়েরেকে। এরপর শুরু যশপ্রীত বুমরাহ শো। ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেষ তিন উইকেট তাঁরই। তবে দশম উইকেটে গ্রিভস-সিয়েলসের লড়াই অস্বস্তিতে ফেলে দেয় হোমটিমকে।
যশস্বী নেমেছিলেন চতুর্থদিনেই টেস্ট শেষ করার লক্ষ্যে। কিন্তু বেশিক্ষণ স্থায়ী হননি। মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন তিনি। রাহুল ও সুদর্শন অবশ্য ঝুঁকির রাস্তায় হাঁটেননি। ধীরেসুস্থে নিশ্চিত জয়ের লক্ষ্যে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন দু’জনে।

সম্পর্কিত সংবাদ