Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রেমিককে ভিডিও মেসেজ পাঠানোর পরেই আত্মঘাতী, দেহ উদ্ধার শিক্ষিকার

শনিবার সন্ধ্যায় আচমকাই প্রেমিকার ফোন থেকে আসে একটি ভিডিও-বার্তা। মেসেজ খুলতেই শিরদাঁড়া বেয়ে হিমশীতল স্রোত নেমে যায় যুবকের।

প্রেমিককে ভিডিও মেসেজ পাঠানোর পরেই আত্মঘাতী, দেহ উদ্ধার শিক্ষিকার
  • ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শনিবার সন্ধ্যায় আচমকাই প্রেমিকার ফোন থেকে আসে একটি ভিডিও-বার্তা। মেসেজ খুলতেই শিরদাঁড়া বেয়ে হিমশীতল স্রোত নেমে যায় যুবকের। ভিডিওতে তরুণী বলছেন, ‘আমি আর বাঁচতে চাই না। আমি আত্মহত্যা করছি। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’ দ্রুত বাঁশদ্রোণীতে প্রেমিকার ভাড়াবাড়িতে ছুটে আসেন ওই যুবক। কিন্তু, ততক্ষণে সব শেষ। সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় তরুণী শিক্ষিকার দেহ। 

Advertisement

শনিবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাঁশদ্রোণী থানা এলাকার বিবেকানন্দ পার্কে। তরুণীর নাম সুদীপ্তা মাইতি (২৩)। পেশায় শহরের একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা। পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার বাসিন্দা ওই তরুণী কর্মসূত্রে ভাড়া থাকতেন বাঁশদ্রোণীতে। স্থানীয় সূত্রে খবর, রাতেই প্রেমিকা সুদীপ্তার ভিডিও মেসেজ পান প্রেমিক রাহুল উপাধ্যায়। তড়িঘড়ি ওই ভাড়াবাড়িতে পৌঁছে স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। তাঁদের সাহায্যে ঘরের সিলিং ফ্যান থেকে তরুণীকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে। সেখানেই কর্তব্যরত চিকিৎসকরা সুদীপ্তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। হাসপাতালের তরফে বিষয়টি জানানো হয় পুলিশকে। রাত ১১টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বাঁশদ্রোণী থানার পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পর অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। পাশাপাশি, দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।  
পুলিশ সূত্রে খবর, বছর দু’য়েক ধরে কলকাতায় একাই বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন সুদীপ্তা। সেখানেই রাহুলের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। যুগলের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্প্রতি দু’জনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। সেই জন্যই আত্মহত্যা কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, আত্মহত্যার নেপথ্যে পেশাগত কোনও কারণ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের কারণে সুদীপ্তা ও রাহুলের দু’জনের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেখান থেকে মেসেজ ও ভিডিওবার্তা খতিয়ে দেখা হবে। রাহুলকে ভিডিও বার্তাটি সুদীপ্তার ফোন থেকেই পাঠানো হয়েছিল কি না, কখন পাঠানো হয়েছিল, সবটাই এখন তদন্তকারীদের স্ক্যানারে। - নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ