নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ঘটনা ১: দাদার সঙ্গে মোবাইল নিয়ে ঝগড়া। তার জেরে অভিমানে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা ভাইয়ের। দিন কয়েক আগে কুলতলির শ্যামনগরে এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নাবালককে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দু’দিন চিকিৎসার পর ছাড়া পেয়েছে।
Advertisement
ঘটনা ২: বাসন্তী থানার ঢুড়ি এলাকায় মা বকেছিল মেয়েকে। বকুনি খেয়ে দরজা বন্ধ করে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী। তাকে ক্যানিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুস্থ হওয়ার পর ছাড়া হয় তাকে। এরকম একাধিক ছোটখাট কারণে আজকাল আত্মহত্যার চেষ্টা করছে অল্পবয়সিরা। এই প্রবণতা ক্রমে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। বাড়ির বকুনি বা অন্যান্য কোনও কারণে এমনকি ইচ্ছের বিরুদ্ধে গেলেই এমন বড় পদক্ষেপ নিয়ে ফেলছে কিশোর-কিশোরীরা। ক্যানিং হাসপাতালে প্রায় প্রতিদিন কম করে দু’টি আত্মহত্যার চেষ্টা করা রোগী আসছে। কোনও কোনও দিন তিনটি রোগী পর্যন্ত আসছে বলে জানা গিয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আত্মহত্যার চেষ্টা তুচ্ছ কারণে বলে জানা গিয়েছে।
কেন এমন অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে নতুন প্রজন্ম? চিকিৎসকদের কাছে এই বিষয়টি বেশ উদ্বেগের। তাঁরা বলছেন, সুইসাইড একপ্রকার মানসিক অসুখ। এখন সবকিছুই অল্পবয়স্কদের মনের মতো করে করতে হবে। কিছু এদিক ওদিক হলেই এমন কাণ্ড ঘটিয়ে বসছে তারা। সম্প্রতি বাসন্তীতে এক ছাত্রী মাধ্যমিকের ইংরেজি পরীক্ষা খারাপ হয়েছে বলে বাড়ি এসে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালে এই ধরনের রোগী আনার পর তাকে এবং পরিবারের লোকজনকে বোঝানোর কাজ করেন চিকিৎসকরা। মনরোগ বিশেষজ্ঞ অভিষেক দণ্ডপাঠ বলেন, ‘ছেলে-মেয়েদের মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা দেখলে অভিভাবকদের তাদের সঙ্গে অনবরত কথা বলে যাওয়া উচিত। সমস্যা সমাধানে সন্তানদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে যেতে হবে বাবা-মায়েদের।’
কেন এমন অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে নতুন প্রজন্ম? চিকিৎসকদের কাছে এই বিষয়টি বেশ উদ্বেগের। তাঁরা বলছেন, সুইসাইড একপ্রকার মানসিক অসুখ। এখন সবকিছুই অল্পবয়স্কদের মনের মতো করে করতে হবে। কিছু এদিক ওদিক হলেই এমন কাণ্ড ঘটিয়ে বসছে তারা। সম্প্রতি বাসন্তীতে এক ছাত্রী মাধ্যমিকের ইংরেজি পরীক্ষা খারাপ হয়েছে বলে বাড়ি এসে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালে এই ধরনের রোগী আনার পর তাকে এবং পরিবারের লোকজনকে বোঝানোর কাজ করেন চিকিৎসকরা। মনরোগ বিশেষজ্ঞ অভিষেক দণ্ডপাঠ বলেন, ‘ছেলে-মেয়েদের মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা দেখলে অভিভাবকদের তাদের সঙ্গে অনবরত কথা বলে যাওয়া উচিত। সমস্যা সমাধানে সন্তানদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে যেতে হবে বাবা-মায়েদের।’



