নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কি ভারতে আসবেন? এই নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা তুঙ্গে। প্রথমে শোনা যাচ্ছিল তিনি আসবেন না। কিন্তু গত ৪৮ ঘণ্টায় পরিস্থিতির অনেক বদল হয়েছে। এর মধ্যেই একাধিক সূত্র দাবি করেছে, তারেকের ভারতে আসার সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল। বাংলাদেশের প্রধিানমন্ত্রীর সফর চূড়ান্ত করার বিষয়ে নয়াদিল্লি ও ঢাকা ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছে। এমনকি সব ঠিক থাকলে ব্রিকস সম্মেলনের আগেই ভারতে আসতে পারেন তারেক। সেক্ষেত্রে আগস্টের শেষে বা সেপ্টেম্বরের শুরুতে সেই সফর হতে পারে। অন্য একটি
সূত্রের দাবি, ক্ষমতায় আসার পরেই তারেক ভারতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে শুরু করায় গঙ্গা জলচুক্তির নবীকরণের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের পণ্যের উপর ভারতে যে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছিল, তাও তুলে
নেওয়া হতে পারে। তারেকের দিল্লি সফরই ব্রিকস সম্মেলনের গতিপথ ঠিক করে দেবে। শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং ভার্চুয়াল সম্মেলন নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্প্রতি ফের কূটনৈতিক টানাপোড়েন তুঙ্গে উঠেছে।
আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ব্রিকস সম্মেলনের আসর বসছে দিল্লিতে। সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে তাঁর এই ভারত সফর বিশেষ তাত্পর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সূত্রের খবর, ব্রিকস সম্মেলনের বাইরে আলাদা করে তাঁর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে পশ্চিম এশিয়ার সংকট, দুই দেশের পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহায়তার মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এছাড়া হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিও রয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর এই প্রথম কোনো উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসবে ভারত ও ইরান।