Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬

টার্গেট করাচি, আরব সাগরে ‘স্ট্যান্ডবাই’ ছিল নৌবাহিনী! অপারেশন সিন্দুর’ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

সবুজ সঙ্কেত আসার অপেক্ষা। আর সেই ‘নির্দেশ’ মিললেই ধ্বংস হয়ে যেত করাচি বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলি। কারণ স্ট্যান্ডবাই মোডে রাখা ছিল ব্রহ্মস মিসাইল।

টার্গেট করাচি, আরব সাগরে ‘স্ট্যান্ডবাই’ ছিল নৌবাহিনী! অপারেশন সিন্দুর’ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য
  • ২৮ জুন, ২০২৫ ০৪:০০

নয়াদিল্লি:  সবুজ সঙ্কেত আসার অপেক্ষা। আর সেই ‘নির্দেশ’ মিললেই ধ্বংস হয়ে যেত করাচি বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলি। কারণ স্ট্যান্ডবাই মোডে রাখা ছিল ব্রহ্মস মিসাইল। হামলার নির্দেশের অপেক্ষায় ছিল মিগ-২৯ ও ডুবোজাহাজ। তবে চূড়ান্ত নির্দেশ না আসায় হামলা চালায়নি নৌবাহিনী। ‘অপারেশন সিন্দুর’ নিয়ে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে একটি সংবাদমাধ্যম।

Advertisement

২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ২৬ পর্যটক। পাল্টা অপারেশন সিন্দুর শুরু করে ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গিঘাঁটি। জঙ্গিদের হয়ে প্রতিশোধ নিতে হামলা চালায় পাকিস্তান। তা রুখে দেয় ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। আসিম মুনিরদের সমুচিত জবাব দেয় ভারতও। একের পর এক মিসাইল আছড়ে পড়ে পাক সেনার এয়ারবেসগুলিতে। তবে শুধু পাকিস্তানি এয়ারবেসই নয়, ভারতের টার্গেট ছিল সেদেশের যুদ্ধজাহাজও। আর সেই হামলা চালাতে পূর্ণ প্রস্তুতি সেরে রেখেছিল ভারতীয় নৌবাহিনীও।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, আরব সাগরে আইএনএস বিক্রান্তের নেতৃত্বে তৈরি ছিল নৌবাহিনী। তাদের নিশানায় ছিল করাচি বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা পাকিস্তানের রণতরী ও ডুবোজাহাজ। মূল ভূখণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কিছু এলাকাও ছিল ‘টার্গেট লিস্টে’। ব্রহ্মস মিসাইলের পাশাপাশি ভারত-রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি ‘কিলো’ ক্লাস সাবমেরিন থেকে প্রত্যাঘাতের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছিল ক্লাব সিরিজের ল্যান্ড অ্যাটাক মিসাইল।
আরও জানা যাচ্ছে, ভারতের চাপেই পাকিস্তানি নৌবাহিনীর ফ্রিগেট ও করভেট রণতরীর পাশাপাশি ডুবোজাহাজগুলি বন্দর থেকে বেরোতে পারেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় নৌবাহিনী হামলা চালালে এগুলির বেশিরভাগই ডুবে যেত।

সম্পর্কিত সংবাদ