নয়াদিল্লি, ২১ জুলাই: ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে এনিতেই বেসামাল কেন্দ্র। লাগাতার ‘উপেক্ষা’র পরে অবশেষে গতকাল আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে সরকার। পরিস্থিতি সামাল দিতে আজ, মঙ্গলবার আসরে নামতে হয়েছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। এই পরিস্থিতিতে নয়া চ্যালেঞ্জের মুখে কেন্দ্র। এবার পথে নেমেছেন দেশের কৃষকরা। তাঁদেরও লক্ষ্য রাজধানী দিল্লি।
প্রস্তাবিত ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে দিল্লির কিষাণঘাটে ‘মহাপঞ্চায়েত’-এর ডাক দিয়েছে দেশ বাঁচাও মঞ্চ। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, হিমাচলপ্রদেশ সহ বিভিন্ন প্রদেশের কৃষকদের এক ছাতার তলায় এনেছে তারা। এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে এদিন একাধিক রাজ্য থেকে হাজার হাজার কৃষক রাজধানীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। পাঞ্জাবের কয়েক হাজার কৃষক জড়ো হন শম্ভু সীমান্তে। সকাল থেকে সেখানে মোতায়েন রাখা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনীকে। ব্যারিকেড তুলে সীমানা সিল করে দেওয়া হয়। ফলে শম্ভু সীমান্তেই আটকে পড়েছেন দিল্লিমুখী কৃষকরা।
দিল্লির পথে এগোতে না পেরে পঞ্জাব ও হরিয়ানা পুলিশকে একহাত নিয়েছেন আন্দোলনকারী কৃষক নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, দিল্লিতে গিয়ে সমাবেশ করার গণতান্ত্রিক অধিকার তাঁদের আছে। সেই অধিকার থেকে তাঁদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। এর পরে শম্ভু সীমানাকেই তাঁদের আন্দোলনের নতুন কেন্দ্র বানিয়েছেন কৃষকরা। পঞ্জাবে কৃষকদের আটকে দেওয়া হলেও হরিয়ানা থেকে কৃষকরা দিল্লির উদ্দেশ্যে এগিয়ে চলেছেন। আম্বালা, কুরুক্ষেত্র এবং রাজধানী লাগোয়া জেলাগুলি থেকে কাতারে কাতারে কৃষক ‘মহাপঞ্চায়েতে’ যোগ দেওয়ার জন্য আসছেন বলে জানা গিয়েছে।