Bartaman Logo
১৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

তারকেশ্বর হবে আন্তর্জাতিক তীর্থক্ষেত্র, জাতীয় স্বীকৃতি শ্রাবণী মেলাকে: শুভেন্দু

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করলেন তারকেশ্বরকে আন্তর্জাতিক তীর্থক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ। বিস্তারিত পড়ুন।

তারকেশ্বর হবে আন্তর্জাতিক তীর্থক্ষেত্র,  জাতীয় স্বীকৃতি শ্রাবণী মেলাকে: শুভেন্দু
  • ১৫ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: মঙ্গলবার তারকেশ্বর বালিগড়ি বাওনারপাড় ময়দানে শ্রাবণী মেলার উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তারকেশ্বর মঠের প্রধান সুরেশ্বর আশ্রম মোহন্ত মহারাজ, ভারত সেবাশ্রম সংঘের সভাপতি স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ প্রমুখ। প্রথমে কলসযাত্রা শুরু হয় তারকেশ্বর রাজবাড়ি মাঠ থেকে। আজ বুধবার অনুষ্ঠিত হবে মহারুদ্র যজ্ঞ। ১৮ জুলাই থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে শ্রাবণী মেলা।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী এখানে পৌঁছানোর আগে কিছু বিতর্ক বিবাদ হয়। মুখ্যমন্ত্রী এসব অবাঞ্ছিত বিষয় উপেক্ষা করার পরামর্শ দেন। ১৩-১৫ জুলাই একাধিক ধর্মীয় কার্যক্রম রয়েছে। পরিশেষে ঐতিহ্যবাহী শ্রাবণী মেলাকে নবরূপ দেওয়ার জন্য এই আয়োজন করা হয়েছে।  
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তারকেশ্বর ধাম অবহেলিত ছিল। তীর্থযাত্রীরা পবিত্র জল সংগ্রহ করে ৩০ কিমি হেঁটে তারকেশ্বরে আসেন। এতদিন তাঁদের জন্য সরকারি ব্যবস্থা ছিল যৎসামান্য। গোটাকতক সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে চলত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ। এখন শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বর ধাম প্রবেশ পর্যন্ত পাঁচ কিমি অন্তর সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠান থাকবে। সাধারণ প্রশাসন এবং পুলিশ আধিকারিকরা পুণ্যার্থীদের জন্য যানজট নিয়ন্ত্রণ করবেন। তাতে তাঁদের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ হবে। যতটা সম্ভব সুসজ্জিত আলোকমালায় সাজিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি আমরা। তারকেশ্বর এলাকার জন্য যেসব প্রাথমিক কাজ এই স্বল্প সময়ে করা সম্ভব সেগুলি করার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনে তারকেশ্বরধামকে ‘আন্তর্জাতিক তীর্থক্ষেত্র’ এবং শ্রাবণী মেলাকে ‘জাতীয় মেলা’র রূপ দেওয়া হবে। 
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় পর্যটনের ক্ষেত্রে এখানে আমরা অন্য রাজ্যের পুণ্যার্থী, এমনকি বিদেশি পর্যটকদেরও পাব। উজ্জয়িনীর মহাকাল মন্দির এবং কাশীর বিশ্বনাথধাম সুন্দরভাবে সেজে উঠেছে। অপূর্বরূপে সেজে উঠেছে অযোধ্যার পবিত্র রামমন্দির। পুরী, কেদারনাথ, বদ্রীনাথ ধামের আকর্ষণও অপরিমেয়। আগামী দিনে তারকেশ্বরধামও সেজে উঠবে এই সকল তীর্থের মতোই। আমি আশা করব, এবারের শ্রাবণী মেলা মধুময় ও সুখকর হবে। সবটাই হবে ঐতিহ্য পরম্পরা বজায় রেখে। শ্রাবণী মেলাকে ঐতিহ্যের মেলায় পরিণত করব আমরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ