Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চালু করেছেন নিজস্ব প্রকল্প, ভোটযুদ্ধে মানুষই হাতিয়ার তাপস চট্টোপাধ্যায়ের, রাজারহাট-নিউটাউনে আশাবাদী বিজেপি-সিপিএমও

রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ বা প্রকল্পগুলি তো আছেই। রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভা এলাকায় বাড়তি পাওনা বিধায়কের নিজের প্রকল্প

চালু করেছেন নিজস্ব প্রকল্প, ভোটযুদ্ধে মানুষই হাতিয়ার তাপস চট্টোপাধ্যায়ের, রাজারহাট-নিউটাউনে আশাবাদী বিজেপি-সিপিএমও
  • ২৭ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০

অলকাভ নিয়োগী, বিধাননগর: রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ বা প্রকল্পগুলি তো আছেই। রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভা এলাকায় বাড়তি পাওনা বিধায়কের নিজের প্রকল্প। শুনতে অবাক লাগলেও এমনটা সত্যি। গরিব মানুষের জন্য নিজের ভাবনায় চালু করেছেন একাধিক জনমুখী প্রকল্প। উপভোক্তা সংখ্যা কয়েক হাজার। বিধানসভা ভোটের লড়াই এখন তুঙ্গে উঠেছে। এ লড়াই জিততে রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায় আত্মবিশ্বাসী। তাঁর কথায়, ‘আমি তো ভোটের সময় এলে শুধু বাইরে বেরই এমন নয়। সারাবছরই মানুষের সঙ্গে থাকি। তাই এই নির্বাচনে এলাকার মানুষই আমার হাতিয়ার।’

Advertisement

তবে বিরোধীরাও বসে নেই। জয়ের ফসল ঘরে তুলতে মাঠে নেমে পড়েছে সবপক্ষই। জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি এবং সিপিএমও। রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভায় দ্বিতীয়বারের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছেন তাপস চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি প্রার্থী পিযূষ কানোডিয়া। সিপিএমের প্রার্থী সপ্তর্ষী দেব। সিপিএম থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে এসেছেন তাপসবাবু। তাই বামেদের পথঘাট তাঁর সব চেনা। দ্বিতীয়বার প্রার্থী হয়ে তিনি এক প্রবীণ বামনেতাকে ফোন করে আশীর্বাদও নিয়েছেন।
গত পাঁচবছরের বিধায়ক এলাকার কী উন্নয়ন করেছেন? বাড়ির সোফায় বসে তাপসবাবু উন্নয়নের তালিকা দিলেন। মাতৃসদন হাসপাতালে ইউএসজি, ডায়ালেসিস ইউনিট চালু, চারটি হাসপাতালে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাম্বুল্যান্স প্রদান, রাস্তা, পানীয় জল, খেলার মাঠ তৈরি, দমকলকেন্দ্রের সূচনা, বিসর্জন ঘাট, বৃদ্ধাশ্রম, অনাথ শিশুদের বিনামূল্যে পড়াশোনার ব্যবস্থা সহ নানা কিছু। তারপর জানালেন নিজের তৈরি প্রকল্পের কথাও। রাজ্য সরকার ইমাম ও পুরোহিতদের ভাতা চালু করেছে। এখানে সেই প্রকল্পের সঙ্গে রয়েছে বিধায়কের প্রকল্প। তাঁর নিজের প্রকল্পে ১০২ জন ইমাম এবং ৫৫ জন পুরোহিত মাসে ১ হাজার টাকা করে ভাতা পান। রাজ্য সরকারের রূপশ্রী প্রকল্প আছে। এককালীন ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এই কেন্দ্রে সেই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন বহু গরিব তরুণী। তার সঙ্গে তাঁরা উপকৃত হয়েছেন বিধায়কের প্রকল্পেও। তিনি গরিব তরুণীদের বিয়ের জন্য চালু করেছেন বেনারসি ও ৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা। তাতে উপকৃত তরুণীর সংখ্যা ২ হাজার ৭০০। রাজ্য সরকারের মা ক্যান্টিনের ধাঁচে বিধায়কও চালু করেছেন বিনামূল্যে দুপুরের ভাত। সরকারি হাসপাতালের মতোই তিনি চালু করেছেন বিধায়ক ক্লিনিক। এখানে চিকিৎসা বিনামূল্যে।
বিজেপি প্রার্থী পিযূষ কানোডিয়া বলেন, ‘আমরাই জিতব। মানুষ তৈরি।’ সিপিএম প্রার্থী সপ্তর্ষী দেব বলেন, ‘রাজারহাট-নিউটাউনে যা যা উন্নয়ন হওয়া দরকার ছিল, তা হয়নি। পুর পরিষেবা, পঞ্চায়েত এলাকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি সহ অন্যান্য উন্নয়নের লক্ষ্যে নিউটাউনের মানুষ বামপন্থীদেরই জয়ী করবেন।’

সম্পর্কিত সংবাদ