কুয়ালালামপুর, ১ জুন: পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলায় পাক যোগের প্রমাণ রয়েছে ভারতের কাছে। অপরদিকে পহেলগাঁও হামলার বিরুদ্ধেই অভিযান চালাতে ভারত অপারেশন সিন্দুর করে। ভারতের সেই প্রত্যাঘাত নিয়ে ও পাকিস্তানের মুখোশ খুলতে বিদেশের বিভিন্ন দেশে গিয়েছেন সর্বদলীয় সাংসদদের একাধিক দল। তেমনই একটি দলে রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সফর করছেন এশিয়ার কয়েকটি দেশে। যার মধ্যে আজ, রবিবার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘আমাদের কাছে যা প্রমাণ রয়েছে সেটা সবটাই সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখতে পাবেন আপনারা। জঙ্গিদের শেষকৃত্যে হাজির ছিলেন পাকিস্তানি সেনার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। আর কী প্রমাণ বিশ্বকে দেবে ভারত? পাকিস্তান জঙ্গিদের মদত দেয় এটাই তার প্রমাণ। আমি এখানে কোনও জ্ঞান দিতে আসিনি। সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে গোটা দেশ একজোট এবং সম্মিলিত ভাবে লড়াই করতে প্রস্তুত সেটাই বলতে এসেছি। ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওতে হামলার পর আমরা অপেক্ষা করেছিলাম, পাকিস্তান বোধ হয় এবার জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কিছু ব্যবস্থা নেবে। কিম্তু তারা কিছুই করেনি। তাই ভারত প্রত্যাঘাত করেছে। বেছে বেছে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে। কোনও সাধারণ মানুষের ক্ষতি হয়নি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি কেন্দ্রীয় সরকার যদি পাকিস্তানের সঙ্গে কোনও আলোচনায় বসে, তবে এবার পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে কথা বলুক। নইলে এই সন্ত্রাসবাদ থামবে না। আমি বিরোধী দলের সাংসদ। আমি মনে করি, পাকিস্তানের সঙ্গে অনেক কথা হয়েছে। সন্ত্রাস আর আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না।’
অভিষেক কুয়ালালামপুরে থাকা প্রবাসী ভারতীয়দের বলেন, ‘ভারতে বেড়াতে এলে যদি সাত দিনের ট্যুর হয়, আমি আপনাদের অনুরোধ করব, আরও তিনদিন বাড়তি থাকুন। ওই তিনদিন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কাশ্মীরে যান। কাশ্মীরের উন্নতির জন্য যান। এইসব জঙ্গি হামলা চালিয়ে ওরা আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করতে চায়। পাকিস্তান চায় কাশ্মীরের অর্থনীতির ক্ষতি হোক। তাই আপনাদের বলব, ভারতে এলে কাশ্মীরে কয়েকদিন থেকে সেখানকার অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করুন। এর ফলে উপত্যকার মানুষগুলো উপকৃত হবেন ও পর্যটন ক্ষেত্রে সুবিধা হবে।’