Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘বিচারাধীন’ তাজমুল, রব্বানি সরব শাসক দল, পালটা আক্রমণ বিজেপিরও

সফটওয়্যারের গেরো, নাকি ‘কমিশন মেড’!

‘বিচারাধীন’ তাজমুল, রব্বানি সরব শাসক দল, পালটা আক্রমণ বিজেপিরও
  • ২ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: সফটওয়্যারের গেরো, নাকি ‘কমিশন মেড’! এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় সংখ্যালঘু অধুষিত এলাকায় যেভাবে ভুরি ভুরি নাম অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায়, তাতে বিজেপি বিরোধী দলগুলির ‘কমিশন মেড’ তত্ত্বই হাওয়া পাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের বিচারাধীন তালিকায় এবার নাম রয়েছে সংখ্যালঘু মন্ত্রী তজমুল হোসেন ও  বিধায়ক গোলাম রব্বানিরও।

Advertisement

শনিবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর বিষয়টি সামনে এসেছে। এনিয়ে যথেষ্টই বিরক্ত মন্ত্রী রব্বানি। তিনি বলেন এটা কীভাবে হলো কিছুই বুঝতে পারছি না। তাঁর কেন্দ্র গোয়ালপোখর বিধানসভা এলাকায় ৭৮ হাজার ৪৭১ জনও বিচারাধীন তালিকায়। পাশাপাশি তাঁর আশা, সবদিক বিচার বিবেচনা করে ভোটার তালিকার এই বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে ।
এছাড়া একই তালিকায় বিচারাধীন রয়েছেন রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তথা হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তাজমুল হোসেন। গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নোটিস পান মন্ত্রী। শুনানির লাইনেও দাঁড়ান তিনি। শনিবার দেখা যায়, তাঁর নামও বিচারাধীন। 
তাজমুল বলেন, আমি তিনবারের বিধায়ক। সমস্ত নথি যাচাইয়ের পর নমিনেশন জমা নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তারপরে দেখছি আমার তালিকা বিচারাধীনের তালিকায়। আসলে বিজেপির ইশারায় কমিশন কাজ করে। মালদহ জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, নির্বাচন কমিশনের মোড়কে বিজেপি সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে এই আওতায় এনেছে। মন্ত্রীরাও এর থেকে রেহাই পাচ্ছেন না।
 একই অবস্থা দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডলের। তাঁর নামও রয়েছে বিচারাধীন তালিকায়। পাশাপাশি বালুরঘাট ব্লকের বোয়ালদার গ্রাম পঞ্চায়েতের এক বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য ও বিএলওর নামও বাতিলের খাতায় এসেছে। 
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বাতিল বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যের নাম জয়দেব বর্মন। তিনি ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের শিবরামবাটি বুথের ভোটার তথা বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য।  জয়দেব বলেন, শুনেছি আমার নাম বাদ পড়েছে। কেন বাদ গেল, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হব। 
এদিকে সদস্যের নাম বাদ চলে যাওয়ায় তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছে বিজেপি। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকারের মন্তব্য, বেশিরভাগ জায়গায় তৃণমূল সদস্যরা বিএলও হিসেবে ছিলেন, তাঁরা শাসক দলের মদতে এই কাজ করেছেন। নির্বাচন কমিশনে আমরা অভিযোগ জানাব। 
বালুরঘাট ব্লক তৃণমূল সভাপতি মলয় মণ্ডল বলেন, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চাইছে। বহু মানুষ ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। এবার বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য সহ নীচুতলার কর্মীরাও ভাবছেন বিজেপি সাধারণ মানুষের কথা ভাবে না।
এদিকে ওই পঞ্চায়েতের মদনগঞ্জ এলাকায় বিএলও হিসেবে কাজ করেছিলেন শিক্ষক দিলীপ হালদার। নাম বাদ যাওয়ায় হতবাক তিনি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ