নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: রাতের অন্ধকারে পরপর দাঁড়িয়ে থাকা পাঁচটি বাসের লক ভেঙে ব্যাটারি সহ একাধিক যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার দাসনগর থানার জাপানি গেট এলাকায়। পাঁচটি বাসের যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় এদিন জাপানি গেট থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ রুটে মিনিবাস চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে দিনভর চরম হয়রানির মুখে পড়তে হয় নিত্যযাত্রীদের। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দাসনগর থানার পুলিস।
Advertisement
জানা গিয়েছে, হাওড়ার জাপানি গেট থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত ৩৫ নম্বর রুটে মোট সাতটি বেসরকারি মিনিবাস চলাচল করে। বাসগুলো রাখার জন্য নির্দিষ্ট কোনও স্ট্যান্ড নেই। তাই রাতে স্থানীয় বালিটিকুরি ইএসআই হাসপাতাল চত্বরের এক প্রান্তেই বাসগুলোকে রাখা হয়। অন্যান্য দিনের মতো সোমবার রাত দশটা নাগাদ বাসগুলোকে পার্কিং করে তালা লাগিয়ে চলে যান চালক ও কন্ডাক্টাররা। সাতটি বাসের মধ্যে পাঁচটি বাস এক জায়গায় রাখা থাকলেও খানিকটা দূরে রাখা ছিল দু’টি বাস। এদিন ভোর পাঁচটা নাগাদ বাস বের করার জন্য চালক, খালাসিরা স্ট্যান্ডে আসতেই মাথায় হাত পড়ে তাঁদের। দেখা যায়, পাঁচটি বাসের দরজার লক ভেঙে ভেতরে ঢুকে ব্যাটারি, স্টেপনি সহ যাবতীয় যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে খবর পেয়ে ছুটে আসেন বাস মালিকরা। খবর দেওয়া হয় দাসনগর থানায়।
বাস মালিক সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এই ধরনের ঘটনা এর আগে এখানে হয়নি। দু’টি বাসে রাতে স্টাফরা ঘুমাচ্ছিলেন। তাই সেখানে চুরি হয়নি। সম্ভবত বাইরে থেকে দুষ্কৃতীরা এসে চুরির পর সেসব সামগ্রী ট্যাক্সিতে করে নিয়ে গিয়েছে। রাত হলেই এই এলাকায় সমাজবিরোধীদের ভিড় বাড়ে।’ এদিকে চুরির ঘটনার জেরে এদিন জাপানি গেট থেকে সল্টলেক পর্যন্ত ৩৫ নম্বর রুটের বাস পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ ছিল। কবে বাস চলাচল স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত বলতে পারছেন না বাস মালিকরাও। ফলে এদিন সকালের ব্যস্ত অফিস টাইমে রীতিমতো সমস্যায় পড়েন নিত্যযাত্রীরা। দিবাকর নস্কর নামের এক যাত্রী বলেন, ‘আমাদের অনেকের কাছেই সেক্টর ফাইভে অফিসে যাওয়ার জন্য প্রতিদিন এই বাসই ভরসা। বাস চালু না হলে ভীষণ সমস্যা হবে।’ বাস কন্ডাক্টরদের কথায়, ‘হাওড়া স্টেশন, পোস্তা, শোভাবাজার, হাতিবাগানের মতো ভীষণ ব্যস্ত রুটে এই বাসগুলো চলাচল করে। প্রচুর সংখ্যক শ্রমিক যাতায়াত করেন।’ হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে একটি ট্যাক্সিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। চুরির সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার জন্য সেটিকে ব্যবহার করা হয়েছিল। ট্যাক্সিটিকে কলকাতার দিকে যেতে দেখা গিয়েছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজ চলছে।’
বাস মালিক সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এই ধরনের ঘটনা এর আগে এখানে হয়নি। দু’টি বাসে রাতে স্টাফরা ঘুমাচ্ছিলেন। তাই সেখানে চুরি হয়নি। সম্ভবত বাইরে থেকে দুষ্কৃতীরা এসে চুরির পর সেসব সামগ্রী ট্যাক্সিতে করে নিয়ে গিয়েছে। রাত হলেই এই এলাকায় সমাজবিরোধীদের ভিড় বাড়ে।’ এদিকে চুরির ঘটনার জেরে এদিন জাপানি গেট থেকে সল্টলেক পর্যন্ত ৩৫ নম্বর রুটের বাস পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ ছিল। কবে বাস চলাচল স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত বলতে পারছেন না বাস মালিকরাও। ফলে এদিন সকালের ব্যস্ত অফিস টাইমে রীতিমতো সমস্যায় পড়েন নিত্যযাত্রীরা। দিবাকর নস্কর নামের এক যাত্রী বলেন, ‘আমাদের অনেকের কাছেই সেক্টর ফাইভে অফিসে যাওয়ার জন্য প্রতিদিন এই বাসই ভরসা। বাস চালু না হলে ভীষণ সমস্যা হবে।’ বাস কন্ডাক্টরদের কথায়, ‘হাওড়া স্টেশন, পোস্তা, শোভাবাজার, হাতিবাগানের মতো ভীষণ ব্যস্ত রুটে এই বাসগুলো চলাচল করে। প্রচুর সংখ্যক শ্রমিক যাতায়াত করেন।’ হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে একটি ট্যাক্সিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। চুরির সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার জন্য সেটিকে ব্যবহার করা হয়েছিল। ট্যাক্সিটিকে কলকাতার দিকে যেতে দেখা গিয়েছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজ চলছে।’



