Bartaman Logo
৫ আগস্ট, ২০২৬

সুনেত্রা পাওয়ার ‘গুঙ্গি গুড়িয়া’! হাত শিবিরের কটাক্ষে বিতর্ক

‘গুঙ্গি গুড়িয়া’ (বোবা পুতুল)! একসময় যে কটাক্ষ করা হয়েছিল ইন্দিরা গান্ধীকে, সেই শব্দবন্ধই এবার ব্যবহার করল কংগ্রেস।

সুনেত্রা পাওয়ার ‘গুঙ্গি গুড়িয়া’! হাত শিবিরের কটাক্ষে বিতর্ক
  • ৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: ‘গুঙ্গি গুড়িয়া’ (বোবা পুতুল)! একসময় যে কটাক্ষ করা হয়েছিল ইন্দিরা গান্ধীকে, সেই শব্দবন্ধই এবার ব্যবহার করল কংগ্রেস। নিশানা করা হল মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ারকে। এ নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হর্ষবর্ধন সপকলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে অজিতপন্থী এনসিপি শিবির। এমনকি হর্ষবর্ধন ক্ষমা না চাইলে শারদ পাওয়ারের কাছে ইন্ডিয়া শিবির ত্যাগের দাবিও জানানো হয়েছে। কংগ্রেসের অবশ্য যুক্তি, সুনেত্রাকে অপমান করা হয়নি। শুধু তাঁর আচরণের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে মাত্র। 

Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। একটি সাংবাদিকদের সম্মেলনে বিদ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সুনেত্রাকে প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। তখন উপমুখ্যমন্ত্রীকে আড়াল করার চেষ্টা করেন এনসিপি নেতা ধনঞ্জয় মুন্ডে। সেই ঘটনার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে লেখা হয়, ‘সুনেত্রা পাওয়ার আর কতদিন গুঙ্গি গুড়িয়া হয়ে থাকবেন?’ আর তাতেই ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মারাঠা রাজনীতি। মহারাষ্ট্রের অপর উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ সিন্ধে বলেছেন, ‘এই ধরনের মন্তব্য মহারাষ্ট্রের মহিলাদের অপমান।’ অজিতপন্থী এনসিপি নেতা উমেশ পাতিলের আক্রমণ, ‘একসময় ইন্দিরা গান্ধীকেও গুঙ্গি গুড়িয়া বলে কটাক্ষ করা হয়েছিল। কংগ্রেস কী স্বীকার করে নিচ্ছে, ওই আক্রমণ ন্যায্য ছিল?’ যদিও কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়েছে শারদপন্থী নেতা রোহিত পাওয়ার। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি বুঝতে হবে। একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, একজন স্থানীয় নেতা তাঁর কণ্ঠরোধের চেষ্টা করেন। সেখানে সুনেত্রা পাওয়ার চুপ করে বসে ছিলেন।’ তাঁর বক্তব্য, ইন্দিরাও কাজের মাধ্যমে কটাক্ষের জবাব দিয়েছেন। সুনেত্রাকেও তা করে দেখাতে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ