• শুধু মল্লার নয়। রবীন্দ্রনাথের বর্ষার গানে রয়েছে বিভিন্ন রাগ-রাগিনীর এক মোহময় আবেশ। সেখানে কেদার আছে, আবার ভৈরবীও আছে। গ্ৰীষ্মের দাবদাহ থেকে খানিক স্বস্তি দিতে হাজির বর্ষা। শ্রাবণের প্রাক্কালে তারই সাক্ষী থাকতে চলেছেন শহরবাসী। সৌজন্যে ‘রবি রাগ পথে - সিজন ২’। আগামী ১১ জুলাই সুর ও কথার এক অনন্য মেলবন্ধনে মেতে উঠবে রবীন্দ্রসদনের মঞ্চ। সেখানে থাকছে পণ্ডিত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদারের সরোদের মায়াবী ঝংকার। রাগ-রাগিনীর সপ্তসুরের সঙ্গে কবিতার জাদু দিয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করবেন ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে থাকছে শ্রীকান্ত আচার্য, লোপামুদ্রা মিত্র, শোভন গাঙ্গুলী ও শ্রমণা চক্রবর্তীর কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত। সেখানে মেঘমল্লারের সঙ্গে একই মঞ্চে হাজির থাকবে কল্যাণ, কাফি। রবি ঠাকুরের কথা আর সুরের সঙ্গে তারাও হয়ে উঠবে জীবন্ত। গোটা অনুষ্ঠানের নান্দনিক বিন্যাসে শৈবাল বসু। সকলের মিলিত প্রয়াসে নতুন রূপে ধরা দেবেন বিশ্বকবি। অনুষ্ঠান সম্পর্কে তেজেন্দ্রনারায়ণ বলছিলেন, ‘রবীন্দ্রনাথের বর্ষার গানে বেহাগ আছে, পিলু আছে আবার খামাজও আছে। সরোদের সুর শুনে মূল গানটিকে অনুভব করতে পারবেন শ্রোতারা। কবিতা, গান আর সরোদের কথোপকথনের মাধ্যমেই তা ফুটে উঠবে।’



