নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক জেলবন্দি সুজিত বসুর আবেদনের প্রেক্ষিতে ইডি’কে মঙ্গলবার নোটিস ইস্যু করল সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টে হেরে জামিন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে গত ১৫ অক্টোবর আবেদন করেছেন সুজিতবাবু। এদিন ছিল সেই মামলার প্রথমদিনের শুনানি। সেখানে বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের বেঞ্চ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বক্তব্য জানতে চেয়েছে। আগামী ১৬ নভেম্বর হবে পরবর্তী শুনানি।
এদিকে, আদালতের বিচারের আগেই মিডিয়া ট্রায়ালের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর বেঞ্চর সামনে সুবিচার চেয়ে নিজেদের অধিকার রক্ষার আবেদন করেছেন তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্ট ১৬ নভেম্বর খুললে সেখানে বিষয়টি উল্লেখ করুন। আমরাও হাইকোর্টকে বিষয়টি শুনে অন্তবর্তী নির্দেশের জন্য বলব।
পাথর এবং বালি খাদানের পলাতক ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের রক্ষাকবচের মামলায় কী করতে চায়, তা সুপ্রিম কোর্টে জানাবে বলে মঙ্গলবার জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার। টুলু মণ্ডল গ্রেপ্তারি এড়াতে সুপ্রিম কোর্টে সুরক্ষা কবচ চেয়ে আবেদন করেছেন। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চে এদিন ছিল শুনানি। টুলু মণ্ডলের হয়ে এদিন আইনজীবী মুকুল রোহাতগি সওয়াল করতে গিয়ে বলেন, দেশের সব থেকে বড় অপরাধী নয় আমার মক্কেল। তাও জঙ্গির মতো খোঁজা হচ্ছে। দু’ সপ্তাহের জন্য সুরক্ষা কবচ দেওয়া হোক। দেশে ফিরে যেখানে বলা হবে হাজিরা দেবে টুলু মণ্ডল। তারপর আরও দু’-তিন সপ্তাহের জন্য সুরক্ষা কবচ বহাল রাখা হোক। পাশাপাশি তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদের এক মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ জুলুম, জোর করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে এফআইআর হয়েছে। যদিও গত সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে ছ’মাসের জন্য রক্ষা কবচ দিয়েছে। তবুও সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন তিনি। কিন্তু বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এমনিতেই তো ছ’ মাসের রক্ষাকবচ রয়েছে। ফলে এখানে আবেদন গ্রহণ করা হবে না।



