ঢাকা: ভারত বিরোধিতা করতে গিয়ে নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়ুল মেরেছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপ থেকেই নির্বাসিত তারা। বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছিলেন, ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের। কিন্তু হঠাত্ই তাঁর উল্টো সুর। এখন আসিফের দাবি, ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নাকি বিসিবি ও ক্রিকেটারদের। ক্রীড়া উপদেষ্টার এমন ভোল বদলে দেশের মানুষরাই হতবাক। কারণ, ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসি’কে বাংলাদেশ জানিয়েছিল ৪ জানুয়ারি। আর ২০ জানুয়ারি বঙ্গ-ব্রিগেডের ক্যাপ্টেন লিটন দাস জানিয়েছিলেন, সিদ্ধান্তের আগে বা পরে ক্রিকেটারদের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা করেনি বোর্ড। ২২ জানুয়ারি লিটনদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ক্রীড়া উপদেষ্টা ও বিসিবি’র কয়েকজন কর্তা। সেই আলোচনাতেও জানানো হয়েছিল, সিদ্ধান্ত সরকারের। কিন্তু, ঠিক ভোটের আগেই তিনি ভোল বদলে দোষ চাপাচ্ছেন বোর্ড ও ক্রিকেটারদের উপর। আসলে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে নির্বাসিত হওয়ায় দেশের সিংহভাগ জনতা ক্ষুব্ধ। ভোটের আগে তাই সরকারকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।এদিকে, টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ চূড়ান্ত হওয়ার পর মুখ খুলেছিলেন বিসিসিআইয়ের সহ সভাপতি রাজীব শুক্লা। কিন্তু তাঁর মন্তব্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে বিকৃত করে এক পাকিস্তানের টিভি চ্যানেলে চালানো হয়। যা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নিউজ চ্যানেলের সঞ্চালক শোয়েব মালিক তাঁর শোয়ের মাঝে শুক্লার বক্তব্য চালান। সেখানে ভারতীয় বোর্ড সহ সভাপতিকে বলতে শোনা যায়, ‘ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান যাতে খেলে, তার জন্য আইসিসি’কে অনুরোধ করেছিল বিসিসিআই।’ কিন্তু তিনি এমনটা বলেননি। তাঁর বক্তব্য ছিল, ‘ আইসিসি প্রতিনিধি দলের উদ্যোগে এবং আইসিসি চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে যে আলোচনা শুরু হয়েছিল, তার ফলাফল দেখে আমি খুশি। এই উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আইসিসি’কে ধন্যবাদ।’



