কুন্তল পাল, বনগাঁ: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম ঠাকুরবাড়িতে এসেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই মুখ্যমন্ত্রীর আপ্যায়নে কোনো খামতি রাখতে চাননি বাগদার বিধায়ক সোমা ঠাকুর। মুখ্যমন্ত্রীর জন্য নিজের হাতে রান্না করলেন তিনি। মেনুতে ছিল বেগুন ভাজা, উচ্ছে ভাজা, মোচার ঘণ্ট, ডাল, ভাপা ইলিশ, চিংড়ি পিঠে, মৌরালা মাছের ঝাল, খাসির মাংস, চাটনি। শেষ পাতে ছিল মিষ্টি। সোমার রান্না করা চিংড়ি পিঠে খেয়ে প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
রবিবার আন্তর্জাতিক মতুয়া সাধু গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দিতে ঠাকুরবাড়িতে আসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুপুরে শান্তনু ঠাকুরের ঘরে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। এদিন সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর জন্য হেঁশেলে ব্যস্ত ছিলেন ঠাকুরবাড়ির বধূ তথা বাগদার বিধায়ক সোমা ঠাকুর। ভোর ৫টা থেকে রান্নাঘরে তোড়জোড় শুরু করেন বিধায়ক। রান্না করেন চিংড়ি পিঠে থেকে ভাপা ইলিশ। দুপুরে মুখ্যমন্ত্রীকে সব পদ সাজিয়ে দেন তিনি নিজেই। তৃপ্তি করে খান শুভেন্দু। তবে সব পদ চেখে দেখলেও চিংড়ি পিঠে মন জয় করে তাঁর। জানতে চান রেসিপি। সোমা ঠাকুর বলেন, ঠাকুরবাড়ির স্পেশাল পদ চিংড়ি পিঠে তৃপ্তি করে খেয়েছেন তিনি। সোমা ঠাকুর বলেন, আমি জানি, মুখ্যমন্ত্রী ছোটো মাছ খেতে ভালোবাসেন। তাই নিজে হাতে মৌরালা মাছের ঝাল রান্না করেছিলাম। খাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বাড়িতে আমি আগে অনেকবার এসেছি। চা, কফি, টিফিন সব কিছু খেয়েছি। ভাত খাওয়া হয়নি কখনও। এবার ভাত খেলাম। এ এক পরম প্রাপ্তি।



