Bartaman Logo
১৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

আবেগে ভাসলেন শুভাংশুর বাবা-মা, তুমি আমাকে প্রতিদিন গর্ব অনুভব করাও: স্ত্রী

বুধবার দুপুর ১২টা। আমেরিকার কেনেডি স্পেস সেন্টারে চরম ব্যস্ততা। চলছে শেষ মুহূর্তের কাউন্টডাউন। স্পেস এক্সের ফ্যালকন-৯ রকেট উৎক্ষেপণের দিকে নজর রেখেছিল গোটা দেশও।

আবেগে ভাসলেন শুভাংশুর বাবা-মা, তুমি আমাকে প্রতিদিন গর্ব অনুভব করাও: স্ত্রী
  • ২৬ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

লখনউ: বুধবার দুপুর ১২টা। আমেরিকার কেনেডি স্পেস সেন্টারে চরম ব্যস্ততা। চলছে শেষ মুহূর্তের কাউন্টডাউন। স্পেস এক্সের ফ্যালকন-৯ রকেট উৎক্ষেপণের দিকে নজর রেখেছিল গোটা দেশও। লখনউ থেকেই উৎক্ষেপণে চোখ রেখেছিল শুভাংশুর গোটা পরিবার। রকেট আকাশে উড়তেই চোখে আনন্দাশ্রু শুভাংশুর মায়ের। প্রার্থনার ভঙ্গিতে জড়ো করা হাতদুটো। দ্বিতীয় ভারতীয় মহাকাশচারী হিসাবে ইতিহাস তৈরি করতে চলেছেন তাঁর ছেলে। 

Advertisement

লখনউয়ের সিটি মন্তেশ্বরী স্কুলে তখন হাততালির শব্দে কান পাতা দায়। ভাঙড়া নাচতে শুরু করলেন কয়েকজন। মুহূমুর্হূ ‘হিপ হিপ হুররে ধ্বনি’। এই স্কুলেই পড়াশোনা করেছেন শুভাংশু। ভারতীয় বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেনের সাফল্য উদযাপন করতে এদিন স্কুলে হাজির হয়েছিল বহু মানুষ।  স্কুলের তরফে আয়োজন করা হয়েছিল ‘ব্যোমোৎসব’ অনুষ্ঠানের। সাজানো হয়েছিল শুভাংশুর পোস্টার। আরও অনেকের সঙ্গে এখানেই উৎক্ষেপণের সরাসরি সম্প্রচার দেখেন শুভাংশুর পরিবারও। শুভাংশুর বাবা শম্ভু শুক্লা বলেন, ‘দেশের জন্য অসাধারণ মুর্হূত। প্রতিক্রিয়া দেওয়ার ভাষা পাচ্ছিনা। সবসময় আমার আশীর্বাদ ওর সঙ্গে রয়েছে।’ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শুভাংশুর মা আশা শুক্লাও। ছেলের সাফল্যে তখনও তার চোখে জল। বলেন, ‘আমি জানি ও সফল হবেই। ওর ফেরার অপেক্ষায় রয়েছি। ফিরে আসলেও আমাদের সঙ্গে দেখা করতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে।’ 
মহাকাশ অভিযান শুরুর আগে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন শুভাংশু। ভারতীয় মহাকাশচারীর সেই পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসা কুড়িয়েছে। মিশনের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে ধন্যবাদ দেওয়ার পাশাপাশি পোস্টে স্ত্রী কামনাকেও ধন্যবাদ দিয়েছেন শুভাংশু। লিখেছেন, ‘কামনাকেও বিশেষ ধন্যবাদ, এত সুন্দর সঙ্গী হওয়ার জন্য। তুমি ছাড়া কোনও কিছুই সম্ভব ছিল না। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ, কোনও কিছুরই গুরুত্ব থাকত না।’ শুভাংশুর বার্তার উত্তরে তাঁর স্ত্রী কামনাও লেখেন, ‘তুমি আমাকে প্রতিদিন গর্ব অনুভব করাও’। সেই প্রাইমারি স্কুলে পড়ার সময় থেকেই দু’জনের বন্ধুত্ব। যে বন্ধুত্ব গড়িয়েছে দাম্পত্যে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ